আজ মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** ময়মনসিংহে সুটকেসের ভেতর যুবকের লাশ * ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা স্থগিত * দিনাজপুরে বজ্রপাতে নিহত ৬ * দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে 'সুপার ম্যালেরিয়া' * রিয়ালের পথের ইতি টানতে চান বেনজেমা * মধ্যবাড্ডায় অগ্নিকাণ্ডে মায়ের মৃত্যু, ২ সন্তান দগ্ধ * পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই: বাড়ছে ক্ষোভ, ঝিমিয়ে পড়া

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১২.১১.২০১৭

‘বিএনপির সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের সরকার বাধা দিচ্ছে’- দলটির এমন অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবে বলে জানিয়েছেন

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রবিবার দুপুরে রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় জাতীয় সড়ক পরিবহন নিরাপত্তা কাউন্সিলের ২৫তম সাধারণ সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা ব‌লেন তি‌নি।

বিএনপি অভিযোগ করেছে, সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে তাদের নেতাকর্মীদের সরকার বাধা দিচ্ছে। এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা খতিয়ে দেখতে হবে, খোঁজ নিতে হবে বাধাটা কে দিচ্ছে। বিএনপিতো নিজেরাই নিজেদের বাধা দেয়। অতীতে আমরা যখন এসব অভিযোগের খোঁজ-খবর নিয়ে দেখি, তখন অনেক সময় দেখা যায় এসব অভিযোগের বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই। আসলেই কথায় কথায় নালিশ করা বিএনপির পুরনো অভ্যাস।

তিনি বলেন, সরকার কি সহায়ক নাকি তত্ত্ববধায়ক? তারা একবার বলে সহায়ক সরকার, আবার বলে তত্ত্ববধায়ক সরকার। আসলে কী চান তারা, তা কি আজ পরিস্কার করবেন বেগম খালেদা জিয়া? দেশের মানুষ আজ জানতে চায় কী চায় বিএনপি। আমাদের কথাতো পরিস্কার, সহায়ক ও তত্ত্ববধায়কতো মামাবাড়ির আবদার। আমরা সংবিধানের বাইরে যাবো না। পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তারাই নির্বাচনকালীন সরকার হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ১৮ নভেম্বর ৭ মার্চের ভাষণের বিশ্ব স্বীকৃতির জন্য আমরা সমাবেশ দিয়েছি শনিবার দেখে। এ ধরনের সমাবেশে জনভোগান্তি হবেই। এটাকে সহনীয় মাত্রায় রাখা রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব। কিন্তু আজকে তো সহনীয় মাত্রায় নেই। সহনশীলতার মাত্রা অতিক্রম করে এখন রাস্তা অচল হয়ে গেছে। বেগম জিয়ার সংবর্ধনার দিনও একই অবস্থা হয়েছিলো। আমরা শেখ হাসিনাকে যে সংবর্ধনা দিয়েছিলাম, সেখানে আমাদের মহিলা উপস্থিতিও তাদের সম্মিলিত উপস্থিতির চেয়ে বেশি ছিলো। তারপরও আমরা ছিলাম সুশৃঙ্খল পরিবেশে, নেতাকর্মীরা ছিলো ফুটপাতে। যারা আজকে রাস্তা অচল করে সভা-সমাবেশ করে, তারা ক্ষমতায় আসলে দেশ অচল করবে।

এসময় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, রাস্তাতো অলরেডি ব্লক হয়ে গেছে। এগুলোতো ফিরে এসে আবার যেতে হবে। তারপর আবার অতীতে তো গাড়ি পুড়িয়ে দেয়া, যাত্রী পুড়িয়ে দেয়া, এটাতো কারো না করো অভ্যাস ছিলো। এখন পরিবহন মালিকরা কোনো রিস্ক নিয়ে গাড়ি নিয়ে ঢাকায় আনবে? এখানে আমাদের কী করার আছে

জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের ২৫তম সভায় তিনি বলেন, থ্রি হুইলার ইজি বাইক, নসিমন, করিমন, ভটভটি এগুলো বন্ধ করা কঠিন। কারণ এটা নির্বাচনী বছর। আমি চাইলেও জনপ্রতিনিধিরা করতে দেবে না। ভোটের রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বাস্তবতা বুঝতে হবে। আপতত সম্ভব নয়। তাই ভোট শেষ করে সরকার গঠন করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে সচেতনতা রাড়াতে হবে।

এসময় তিনি বলেন, শীতে গাড়ির গতিবেগ যেন সীমিত থাকে, চালকরা যেন আরেকটু সতর্ক থাকে। কুয়াশায় সতর্কভাবে গাড়ি চালানোর অনুরোধ। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ঢাকা শহরে মোটরসাইকেল চালানোর সময় সাধারণ মানুষ হেলমেট পরলেও রাজনৈতিক কর্মীরা মানছেন না। সরকারের পক্ষ থেকে সব সহযোগী সংগঠনকে অবহিত করা হয়েছে।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি একাব্বর হোসেন, নিরাপদ সড়ক চাই-নিসচার চেয়ারম্যান ইলিয়াছ কাঞ্চন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান, পুলিশের ডিআইজি মোখলেছুর রহমান, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া প্রমুখ।