Thursday 8th of December 2016

সদ্য প্রাপ্তঃ

***রোহিঙ্গা ইস্যুতে সংসদে প্রধানমন্ত্রী,সাহায্য দেয়া যায়, কিন্তু সীমান্ত খুলে দিতে পারি না***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

UCB Debit Credit Card

ড্যান্ডি ডায়িংয়ের  মামলায়ে খালেদার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৯ জুন

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১১.০৫.২০১৬

ড্যান্ডি ডায়িংয়ের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংকের দায়ের করা ৪৫ কোটি টাকার ঋণখেলাপি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১৬ বিবাদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৯ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বিবাদী পক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইসমত জাহান বুধবার (১১ মে) এ দিন ধার্য করেন।
বুধবার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিলো। মামলার বাদী আদালতে সাক্ষী দেওয়ার জন্য উপস্থিত হন। কিন্তু খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ইস্যু গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করেছেন বলে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য সময় আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৯ জুন দিন ধার্য করেন।
আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ায় ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক অংশীদারিত্ব মামলায় তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদী করার জন্য ২০১৫ সালের ৮ মার্চ আদালতে আবেদন করে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসান আরা হ্যাপী এ মামলায় তাদের বিবাদী করেন। একই বছরের ২৪ জানুয়ারি আরাফাত রহমান কোকো হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে মারা যান।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বিবাদীরা ড্যান্ডি ডায়িংয়ের অনুকূলে সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক ঋণ মঞ্জুর করে।
২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ তাদের সুদ মওকুফ করে। পরবর্তীতে বিবাদীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক আবারও ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ করে দেয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ পরিশোধ না করে বার বার কালক্ষেপণ করতে থাকেন।
২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য বিবাদীদের চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হলেও তারা কোনো ঋণ পরিশোধ করেননি। ফলে ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় শাখার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।
২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৬ বিবাদীর বিরুদ্ধে ইস্যু গঠন করেন আদালত।
এ মামলার বিবাদীরা হলেন- ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড, খালেদা জিয়া, কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান, প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, তারেক রহমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।