Saturday 10th of December 2016

সদ্য প্রাপ্তঃ

***চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবে ভারত***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

UCB Debit Credit Card

অসভ্যতার অন্ধকারে দেশ: খালেদা

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৩.০৫.২০১৬

বর্তমানে বাংলাদেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে

দাবি করে এজন্য ক্ষমতাসীন দলের ‘স্বেচ্ছাচারিতা ও উচ্ছৃঙ্খলতা’কে দায়ী করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
ফেনীতে ইউএনওর উপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশকে ‘অসভ্যতার অন্ধকারে ডুবিয়ে’ দেওয়া হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
খালেদা বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, “নির্লজ্জ দলীয়করণ ও যথেচ্ছ অপব্যবহারে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসমূহের আইনসম্মত পন্থায় স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার কোনো অবকাশ শাসকরা রাখেনি।
“অন্যায় আবদার রক্ষা ও বে আইনি নির্দেশ পালন এবং বিধিবহির্ভূত সম্মান ও সুযোগ দিতে অস্বীকার করলেই রাষ্ট্রীয় কর্তব্য পালনে নিয়োজিত কর্মকর্তারা অহরহ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হাতে হেনস্তা ও নিগ্রহের শিকার হচ্ছেন।”
“শাসকদের সরাসরি ম“ ও আস্কারায় তাদের চ্যালা-চামু-ারা দেশজুড়ে উচ্ছৃঙ্খলতা ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।”
পরশুরামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) এইচ এম রাকিব হায়দারের উপর হামলাকারী ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের শাস্তির দাবি জানান খালেদা।
“সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা প্রশাসন, পুলিশ, সীমান্ত রক্ষী বাহিনীসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর দৈহিক হামলা ও সশস্ত্র আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।”
“ক্ষমতার অবৈধ দখলদারিত্ব যেন শাসক গোষ্ঠীকে স্বেচ্ছাচারিতার অবাধ ছাড়পত্র দিয়েছে। তারা দেশটাকে এক অসভ্যতার অন্ধকারে ডুবিয়ে দিচ্ছে।”
পরশুরামের ঘটনাটিতে মামলা হলেও তা ধামাচাপা কিংবা অপরাধীদের পার পাইয়ে দেওয়া হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
“ফাঁকে-ফোকরে শাসক দলের কোনো নেতা-কর্মী আদালত থেকে দোষী সাব্যস্ত হলেও বিশেষ অনুকম্পায় তাদেরকে মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে। ফাঁসিতে মৃত্যুদ-াদেশপ্রাপ্ত আওয়ামী নেতা-কর্মীরাও ছাড়া পেয়ে নতুন নতুন ভয়ংকর অপরাধ সংঘটিত করছে।”
বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি পুনরায় জানান খালেদা।
“দুর্নীতি, দুঃশাসন, স্বেচ্ছাচারিতা ও নৈরাজ্যের বর্তমান দুঃসহ পরিস্থিতির অবসানকল্পে সকলের অংশগ্রহণে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক জাতীয় নির্বাচনের জনগণের ভোটে একটি প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।”