Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Premier Bank Ltd

আসলে কতটা ধনী ছিলেন স্টিভ জবস?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক | তারিখঃ ০৫.০৮.২০১৮

এ বিশ্বে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের যে কয়জন দিকপাল রয়েছেন তার মধ্যে জনপ্রিয় একজন স্টিভ জবস।

আজকের দুনিয়ার ট্রিলিয়স ডলারের কম্পানি অ্যাপলের সহ প্রতিষ্ঠাতা তিনি। অ্যাপলের পারসোনাল কম্পিউটার এবং পরবর্তিতে আইপড, আইফোন এবং আইপ্যাড নির্মাণের পেছনে মাস্টারমাইন্ড তিনিই। জন্মের পরই যাকে দত্তক দেয়া হয়েছে, সেই শিশুটি তার মেধা দিয়ে এক সময় বিলিয়নিয়ার বনে যান। তিনি কখনোই কলেজ পাস করেননি। এ যুগের প্রযুক্তির মহারথীদের ধন-সম্পদের শেষ নাই। জবসও নিশ্চয়ই তেমনই ছিলেন। কিন্তু আসলে কতটা ধনী ছিলেন তিনি? এখানে কিছু ধারণা নিন। 

১. মৃত্যুর সময় স্টিভ জবস বিলিয়ন ডলারের মালিক ছিলেন। ইনভেস্টোপিডিয়া তাদের এক হিসেবে জানায়, ২০১১ সালে মৃত্যুকালে জবস ১০ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের মালিক ছিলেন। ফরচুর এক প্রতিবেদনে বলে, জবসের নাম অ্যাপলের সঙ্গে চিরকালের মতো জুড়ে থাকবে। কম্পানি প্রতিষ্ঠা, চাকরি হারানো এবং আবারো ফিরে আসা সবই তাদের আর বেশি গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। 

২. অ্যাপলই তাকে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। এটা বলাই যায়, পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল আইফোন তাকে অনেক দিয়েছে। আবার পারসোনাল কম্পিউটারকেও ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। ইনভেস্টোপিডিয়া জানায়, কম্পানি প্রতিষ্ঠার প্রথমভাগেই তিনি ধনী হয়েছিলেন। ১৯৭৮ সালের মধ্যে এক মিলিয়ন ডলারের মালিক বনে যান। পরের বছরই তা ১০ গুন বাড়ে। 

৩. এর পর অ্যাপলের আইপিও তাকে আরো সম্পদশালী করে। ১৯৮০ সালে পাবলিক কম্পানি হওয়ার পর কাল্ট অব ম্যাক এক প্রতিবেদনে জানায়, আইপিও জবসকে তাৎক্ষণিকভাবে মিলিয়নিয়ার বানিয়ে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, একদিনের মধ্যে অ্যাপলের এক হাজার কর্মীর মধ্যে ৪০ জনই মিলিয়নিয়ারের তালিকায় চলে যান। 

৪. জবসের আরেকটি পদক্ষেপ তাকে বিলিয়নিয়ারে কাতারে নিয়ে যায়। ১৯৯৫ সালে পিক্সা যখন পাবলিক কম্পানি হয়। অ্যাপলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পরই তিনি পিক্সারে বিনিয়োগ করেন। 

৫. জবসের মেয়েটার নাম লিসা ব্রেনান-জবস। সম্প্রতি তিনি এক স্মৃতিকথায় লিখেছেন, ১৯৭৮ সালে তার জন্মের পর জবস পিতা হিসেবে স্বীকার করেননি। বড় হওয়ার পর একবার লিসা বাবার কাছে পুরনো গাড়িটি বদলে দেয়ার অনুরোধ করেন। স্মৃতিকথায় তিনি লিখেছেন, বাবা তাকে সাফ জানিয়ে দেন যে তুমি কিছুই পাবে না। 

৬. ইনভেস্টোপিডিয়া এক প্রতিবেদনে জানায়, স্টিভ চাইলে আরো অনেক ধনী হতে পারতেন। মৃত্যুর পর, কম্পানি প্রতিষ্ঠা এবং আবারো ফিরে এসে প্রতিষ্ঠানকে শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার পেছনে তার যে অবদান ছিল, তার মূল্য ছিল ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া শেয়ার ছিল ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। আর অন্যান্য সবমিলিয়ে তিনি ১০ বিলিয়নেরও বেশি সম্পদের মালিক হন।