Print

বিএসইসির ভুলে ঝুলে গেছে এনার্জিপ্যাকের আইপিও

বিডিনিউজডেস্ক.কম | তারিখঃ ২৩.০২.২০১৬

আইপিওর সংশোধিত বিধিমালা কার্যকর

হয়েছে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর। এরপর গত ৫ জানুয়ারি পুরনো বিধিমালার আওতায় এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। এর দেড় মাস পরও কোম্পানিকে আইপিও অনুমোদনের চিঠি দেয়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, পুরনো আইনের আলোকে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে এনার্জিপ্যাককে প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা দরে শেয়ার বিক্রির অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু নতুন আইনে বলা হয়েছে, প্রিমিয়াম চাইলে কোম্পানিকে আইপিওর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার বিক্রি করতে হবে। আর ফিক্সড প্রাইসে কেবল অভিহিত মূল্যে শেয়ার বিক্রির অনুমোদন দেওয়া যাবে। নতুন আইন কার্যকর হওয়ায় পুরনো আইনে কোম্পানিটিকে আইপিও অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা বিএসইসিরও নেই। এক্ষেত্রে নতুন করে আইপিও আবেদন করতে হবে। এতে অন্তত ছয় মাস সময় লেগে যাবে। নতুন বিধিমালা কার্যকরের আগে আইপিও অনুমোদন সংক্রান্ত যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ায় এনার্জিপ্যাকের মতো আরও চার কোম্পানিকেও পুরনো আইনের অধীনে আইপিও অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল কমিশনের। কিন্তু ওই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে বিএসইসি।

জানা গেছে, গত বছরের মার্চেই কোম্পানিটিকে আইপিও অনুমোদনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। কিন্তু শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রেক্ষাপটসহ নানাবিধ কারণে অনুমোদনে বিলম্ব করে। নতুন করে কমিশনের ভুলে আবারও বিলম্বিত হতে যাচ্ছে এনার্জি প্যাকের শেয়ার বাজারে আসা। এ অবস্থায় নতুন আইন অনুসরণ করে আইপিও আবেদন করতে হলে কোম্পানিটির সময়ের যে ক্ষতি হবে- তার দায় কে নেবে- এমন প্রশ্নের জবাব অবশ্য কর্মকর্তারা দেননি।

কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট জানিয়েছে, কমিশন সভায় আইপিও অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর সাধারণত সাতদিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজারকে আইপিও অনুমোদনের বিষয় চিঠি দিয়ে নিশ্চিত করা হয়। কিন্তু দেড় মাস অতিবাহিত হলেও চিঠি দেয়নি বিএসইসি। এনার্জিপ্যাকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ূন রশিদ বিদেশে থাকায় তার মন্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান সমকালকে বলেন, এ বিষয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে বিএসইসির কর্মকর্তারা আইনের জটিলতার কথা জানিয়েছেন। কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।