আজ মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** ময়মনসিংহে সুটকেসের ভেতর যুবকের লাশ * ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা স্থগিত * দিনাজপুরে বজ্রপাতে নিহত ৬ * দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে 'সুপার ম্যালেরিয়া' * রিয়ালের পথের ইতি টানতে চান বেনজেমা * মধ্যবাড্ডায় অগ্নিকাণ্ডে মায়ের মৃত্যু, ২ সন্তান দগ্ধ * পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই: বাড়ছে ক্ষোভ, ঝিমিয়ে পড়া

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ২৯.১০.২০১৭

চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রিমিয়ার ব্যাংক,

ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, মাইডাস ফিন্যান্সিং, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, বে লিজিং, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, জিএসপি ফিন্যান্স, জনতা ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স, ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, প্রাইম লাইফ, পপুলার লাইফ ও মেঘনা লাইফ।

প্রিমিয়ার ব্যাংক: চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের একই সময়ের তুলানায় বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫৭ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৯ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৬৩ পয়সায়।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪৯ পয়সা।

ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স: প্রথম তিন প্রান্তিক মিলে ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৬ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ১৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৯ টাকা ৩১ পয়সায়।

এদিকে তৃতীয় প্রান্তিকে ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৭০ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৫৯ পয়সা।

মাইডাস ফিন্যান্সিং: জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে মাইডাস ফিন্যান্সিং লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ৩৭ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৩৮ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১১ টাকা ৬২ পয়সায়।

প্রথম তিন প্রান্তিকে মাইডাস ফিন্যান্সিংয়ের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৫ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫০ পয়সা।

পিপলস ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে পিপলস ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলানায় কমেছে। এ সময়ে কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৫৩ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৫৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৪ টাকা ৭৫ পয়সায়।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৬১ পয়সা।

সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স: প্রথম তিন প্রান্তিক মিলে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ১ টাকা ৬০ পয়সায়। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস হয়েছে ২২ টাকা ৬৮ পয়সায়। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে তা ছিল ৪৮ পয়সা।

বে লিজিং: জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ইপিএস বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৪ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২৯ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৬৮ পয়সায়।

প্রথম তিন প্রান্তিকেও বে লিজিংয়ের ইপিএস বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯৯ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৮০ পয়সা।

পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ৫৬ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৩৪ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৬ টাকা ৮৬ পয়সায়।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২১ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৯৭ পয়সা।

জিএসপি ফিন্যান্স: প্রথম তিন প্রান্তিক মিলে জিএসপি ফিন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৩২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৪ টাকা ১৯ পয়সায়।

তৃতীয় প্রান্তিকে জিএসপি ফিন্যান্সের ইপিএস বেড়েছে। এ সময়ে ইপিএস হয়েছে ৭১ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৩৯ পয়সা।

জনতা ইন্স্যুরেন্স: জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে জনতা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ইপিএস বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২১ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৪ টাকা ৩ পয়সায়।

প্রথম তিন প্রান্তিকেও জনতা ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৪ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৩৭ পয়সা।

ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ৪৮ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৬০ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৯ টাকা ১৬ পয়সায়।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮৭ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৯৫ পয়সা।

অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স: প্রথম তিন প্রান্তিক মিলে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪০ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৪৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৩৬ পয়সায়।

এদিকে তৃতীয় প্রান্তিকে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৬১ পয়সা।

ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স: জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ১৬ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৩ টাকা ২৯ পয়সায়।

প্রথম তিন প্রান্তিকে ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৮ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৭০ পয়সা।

প্রাইম ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রাইম ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড মুনাফায় ফিরেছে। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯ পয়সা, যেখানে আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৭ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৬ টাকা ১৪ পয়সায়।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৮৭ পয়সা।

প্রাইম লাইফ: প্রথম তিন প্রান্তিক মিলে প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের নিট বীমা তহবিল ৩২ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা কমে দাঁড়ায় ৭৬২ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার টাকায়। আগের বছর একই সময়ে তা কমেছিল ৩১ কোটি ৮০ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

পপুলার লাইফ: প্রথম তিন প্রান্তিক মিলে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের নিট বীমা তহবিল ১৩৮ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ৩৬৬ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার টাকায়। আগের বছর একই সময়ে তা কমেছিল ২৭৩ কোটি ১১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

মেঘনা লাইফ: প্রথম তিন প্রান্তিক মিলে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের নিট বীমা তহবিল ২৫ কোটি ৩৪ লাখ ১০ হাজার টাকা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৯৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকায়। আগের বছর একই সময়ে তা বেড়েছিল ৩৮ কোটি ৭০ লাখ ৯০ হাজার টাকা।