মুদ্রণ


বিডিনিউজডেস্ক.কম   

তারিখঃ ১২.০৬.২০১৫

বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্যের ছেলে ও তাঁর দুই সহযোগীকে ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়া হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষককে।সেই সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য বারেক মোল্লাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।গত বুধবার সন্ধ্যায় শোলক ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের জরুরি সভায় ওই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার কর্মসূচি প্রত্যাহার করে পরীক্ষায় অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা।বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় বক্তব্য দেন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হারুন আর রশিদ, জামাল হোসেন মোল্লা, বারেক মোল্লা, প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় ঘটনায় জড়িত বখাটে রানা মোল্লা এবং তার সহযোগী বেল্লাল হোসেন ও আরিফ হোসেনকে স্কুল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এর আগে অভিযোগ পেয়েও বখাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আর রানা মোল্লার বাবা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য বারেক মোল্লাকে সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ে পড়াশোনার পরিবেশ বজায় রাখতে কঠোরভাবে বখাটেদের দমন করা হবে। কমিটির সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থাও চলবে।শোলক ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য বারেক মোল্লার ছেলে রানা মোল্লা এবং তার দুই সহযোগী বেল্লাল হোসেন ও আরিফ হোসেন বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এর প্রতিবাদে গত বুধবার সকালে পরীক্ষা বর্জন করে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারসহ প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যের অপসারণের দাবিতে বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়।