Print

৪ ইস্যুতে পরিবর্তন চায় উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | ০৬.০৪.২০১৬

প্রতিদিনেই নতুন বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাজারের সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে বিনিয়োগকারী।

তুবও গতি ফিরছেনা দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে। মূলত ২০১০ সালের ধসপরবর্তী সময়ে পুঁজিবাজারকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে আস্থা সংকটে ভুগছে বিনিয়োগকারীরা। এরই ধারাবাহিকতায় উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে, বিনিয়োগকারীদের আস্থার উন্নতির জন্য পূববর্তী সিদ্ধান্তেগুলোর পরিবর্তন ও সংযোজন চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।জানা যায় চিঠিতে, পুঁজিবাজারে ব্যাংক এক্সপ্লোজার লিমিটের সময় সীমা ২০২০ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা, শুধু তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজগুলোতে বিনিয়োগকে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগ হিসাবে গণ্য করা, ২০১১ সালের সার্কুলার অনুসারে, দীর্ঘমেয়াদি ইক্যুইটি বিনিয়োগ বা কৌশলগত শেয়ারধারণকে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের এক্সপোজার হিসেবে বিবেচনা না করা এবং ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ নজরদারি করা।চিঠিতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকট কাটাতে গভর্নরের সহায়তা চেয়ে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অতিতের সহযোগিতার কথা তুলে ধরা হয়। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক আবারো বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করবে বলে মত প্রকাশ করে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ।প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এর আগে অর্থমন্ত্রী ও বাণিজ্য মন্ত্রীর পক্ষ থেকে ব্যাংক এক্সপোলজার লিমিটের সময় বর্ধিত করার কথা দেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা কাগজে কলমে সম্পন্ন হয়নি। যার ফলে, আস্থা সংকটে ভুগছে বিনিয়োগকারীরা।কারণ, চলতি বছরেই যদি ব্যাংক এক্সপোলজার লিমিটের সময় শেষ হয় তবে ব্যাংকগুলোকে প্রচুর শেয়ার ও ইউনিট বিক্রয় করতে হবে।এদিকে, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ নিয়মিত নজরদারিতে রাখায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা সংকট বাড়ছে। যার ফলে বাজারের সাথে সম্পৃক্ত বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে সক্রিয় হচ্ছে না।বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির প্রভাষক মাহাবুব-উল আলম বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকট উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের চাওয়াগুলো যুক্তিক। কারণ, বর্তমানে তারল্য সংকটের তুলনায় আস্থা সংকটেই বাজারের লেনদেনে গতি ফিরছে না।