আজ বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় ১০ অক্টোবর * বন্যায় টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়কে ধস; উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেলযোগাযোগ বন্ধ * রাজারবাগে এক নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগে তার এক সহকর্মী গ্রেপ্তার * কোটালীপাড়ায় হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় * সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় ১০ অক্টোবর * বন্যায় টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়কে ধস; উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেলযোগাযোগ বন্ধ * রাজারবাগে এক নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগে তার এক সহকর্মী গ্রেপ্তার * কোটালীপাড়ায় হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

৪৮ দলে বিশ্বকাপ হলে কার লাভ কার ক্ষতি

স্পোর্টস ডেস্ক | তারিখঃ ১২.০১.২০১৭

সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, বিশ্বকাপ ৪৮ দলেরই।

ফুটবলবিশ্ব এখন হিসাব কষছে লাভ-ক্ষতির। ফিফা অবশ্য আগেভাগেই এ নিয়েই নানান গবেষণা, বিশ্লেষণ সেরে ফেলেছে।ফিফা সভাপতি জিয়ানিন ইনফান্তিনোর কথা অনুসারে বিশ্বকাপে ১৬ দল বাড়ানোয় মোটাদাগে লাভ দুটি। এক. পৃথিবীর কোনায় কোনায় ছড়িয়ে যাবে ফুটবল। দুই. আর্থিকভাবে লাভবান হবে ফিফা এবং ফুটবলবিশ্ব।ইউরোপের শীর্ষ ফুটবল লীগগুলো দল বাড়ানোর প্রস্তাবের শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিল। স্বাভাবিকভাবেই ৩২ দল থেকে ৪৮ দল হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে তারা নাখোশ। স্পেনের লা লীগা এক কর্মকর্তা তো দল বাড়ানোয় ফিফার বিরুদ্ধে মামলা করা হতে পারে বলে হুমকিও দিয়েছেন।

তবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি অবশ্য এ নিয়ে অতটা ভাবছে না। জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রিনহার্ড গ্রিনডেলের তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, 'এ সিদ্ধান্তে আমি খুশি নই। আমি চাই ফিফা এবং বিশ্বকাপ ফরম্যাট নিয়ে ওঠা সব প্রশ্নের সুন্দর সমাধান হোক। তবে ফিফা কাউন্সিলে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্তটি হয়ে যাওয়ায় এর ওপর সম্মানও রাখতে হবে।'ইউরোপের অখুশি হওয়ার মূলে তাদের খুব বেশি লাভ না হওয়া। ২০২৬ থেকে ১৬টি দল বেড়ে যাওয়ায় বেশি লাভবান হবে মূলত এশিয়া এবং আফ্রিকা মহাদেশ। বিশেষ করে চীন, কাতার, মিসরের মতো দলগুলো।৪৮ দলের বিশ্বকাপে ৩ দল করে নিয়ে গ্রুপ হবে ১৬টি। দুটি করে দল উঠবে রাউন্ড ৩২-এ। তারপর থেকে প্রতিটি ম্যাচই নকআউট। দল বাড়লেও কোনো দলকেই ৭টির বেশি ম্যাচ খেলতে হবে না। এখনকার ৩২ দলের ফরম্যাটেও চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপরা ৭ ম্যাচ করে খেলে।

বেড়ে যাওয়া ১৬ দলের চারটি করে দল বাড়বে এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের। অর্থাৎ, এশিয়ার ৮টি এবং আফ্রিকার ৯টি দল বিশ্বকাপে খেলবে। ৯টি হতে পারে এশিয়ারও, তবে সেটা নির্ভর করছে মহাদেশীয় প্লে-অফের ওপর। এর বাইরে ইউরোপের ১৩টি থেকে ১৬টি, মধ্য-উত্তর আমেরিকার সাড়ে তিনটি (অর্ধেক প্লে-অফ নির্ভর) থেকে সাড়ে ছয়টি এবং দক্ষিণ আমেরিকার সাড়ে চারটি থেকে দল বেড়েছে ছয়টিতে।ফিফার বর্তমান র‌্যাংকিং অনুসারে এশিয়ার বাড়তি চার দলের সুবিধা নিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করতে পারে চীন, সৌদি আরব, কাতার, উজবেকিস্তান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইউরোপের সুযোগ পাওয়া সম্ভাব্য দল তিনটি হচ্ছে_ আয়ারল্যান্ড, তুরস্ক এবং স্লোভাকিয়া।আফ্রিকা থেকে বাড়তি দলের সুবিধা তুলতে পারে কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, বুরকিনা ফাসো, ঘানা, তিউনিসিয়া, সেনেগালের মতো দেশগুলো। সাম্প্রতিক বিশ্বকাপগুলোতে লাতিন আমেরিকার চার দলের বাইরে পঞ্চম দলও উঠে এসেছিল প্লে-অফের মাধ্যমে। সে ক্ষেত্রে মাত্র একটি দলই বাড়বে তাদের।সেটা হতে পারে পেরু বা বলিভিয়ার মতো দেশ। আর উত্তর আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কোস্টারিকার বাইরে উঠে আসতে পারে পানামা, হাইতি, হন্ডুরাস, কুরাকাওয়ের মতো দেশ। এ ছাড়া ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দলের সুবিধা আদায় করতে পারে নিউজিল্যান্ড।