Print

মাদ্রাসা ছাত্রী মুক্তাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা

বিডিনিউজডেস্ক.কম

তারিখঃ ২১.০৫.২০১৫

ঢাকার মোহাম্মদপুরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার একমাত্র আসামি মো. আল আমিন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অভিযুক্ত আসামী স্বীকার করে- মাদ্রাসা ছাত্রী শিশু নাসিমা আক্তার মুক্তাকে ধর্ষণের পরে হত্যা করা হয়।

ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আল আমিন।

প্রসঙ্গত, ১৪ মে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাত মসজিদ হাউজিং পাঁচ নম্বর রোডের, দ্বিতীয় তলার হালিম সাহেবের বাড়ির সেপটি ট্যাংকি থেকে নাসিমা আক্তার মুক্তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় ওই রাতে নিহতের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) কমল কৃষ্ণ সাহা জানান, মামলাটি তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ ঘটনার চার দিনের মাথায় আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

আসামী আল আমিন জানান, ঘটনার দিন দুপুরে তিনি নাসিমা আক্তার মুক্তাকে ধর্ষণ করে হত্যা করেন। তিনি ওই বাড়ির ম্যানেজারের ছেলে।

আল আমিন আরো জানান, সে প্রথমে শিশু মুক্তাকে ধর্ষণ করেছিল। এরপর মুক্তা গুরুতর অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। কিছুক্ষণের মধ্যে শিশুটির নড়াচড়া দেখে সবাই ঘটনা জেনে ফেলতে পারে ভয়ে টয়লেটের পাশে ভাঙা টাইলসের টুকরা দিয়ে গলাকেটে তাকে হত্যা করে।