Friday 24th of February 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

***সিলেটের বাড়িতে ফিরেছেন কলেজছাত্রী খাদিজা***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

বাউফলে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা !

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | ২৭.০৩.২০১৬

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ঝিলনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রী (১২) ৩ সন্তানের জনক এক দুর্বৃত্তের পাশবিক নির্যাতনে ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য ওই ছাত্রিকে প্রথমে পটুয়াখালী ও পরে বরিশাল নিয়ে গর্ভপাত করানোর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুখি নামের ছাত্রিটির বড় বোন সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, ঝালকাঠী জেলার ফারুক (৪০) নামের এক ব্যাক্তি বাউফলের ঝিলনা গ্রামের মৃত আদম আলী মৃধার মেয়ে বিউটি বেগমকে বিয়ে করে শ্বশুর বাড়িতেই ভিন্ন ঘর তুলে বসবাস করছেন। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। একই এলাকার দিনমজুর আ: হকের বাড়িতে তার আসা যাওয়া ছিল। ৪ মাস আগে একদিন দিনমজুর আ: হক কাজ করতে ইটভাটায় এবং আ: হকের স্ত্রী কিস্তি দিতে কেন্দ্রে গেলে ঘরে একা থাকা আ: হকের ছোট কণ্যা ঝিলনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রি (১২) কে ফারুক জোর করে ধর্ষন করে। এরপর থেকে ফারুক নিয়মিত ওই ছাত্রিটির সাথে মেলামেশা করতো।

এক পর্যায়ে ওই ছাত্রি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরলে সে তার বড় বোন সুখিকে সকল ঘটনা খুলে বলে। এ ঘটনা কিছুটা জানা জানি হয়ে গেলে এক সপ্তাহ আগে স্থানীয় মোক্তার আলী ও লিটন নামের দুইজনের নেতৃত্বে শালিস-বৈঠকে ফারুকের কিছু টাকা জরিমানা করে সে টাকা দিয়ে ছাত্রিটির গর্ভপাত করানো সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ওই ছাত্রিকে পটুয়াখালী নেয়া হলেও সেখানে গর্ভপাত করাতে না পেরে আজ রবিবার সকালে বরিশাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে বড় বোন সুখি সাংবাদিকদের জানান।

এ বিষয়ে মোক্তার আলী শালিসির কথা স্বীকার করে সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, বিষয়টি সম্পূর্ণ পারিবারিক, তাই শালিস করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে জানতে লিটন ও অভিযুক্ত ফারুককে পাওয়া যায়নি।

ঝিলনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোসা. আফরোজা বেগম সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, ওই ছাত্রিটি ২০১৫ সালে ৪র্থ শ্রেণিতে ওঠার পর বেশিদিন স্কুলে আসেনি। এদিকে এ সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য মোক্তার আলী সাংবাদিকদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকিও দিয়েছেন।