Saturday 29th of April 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** শিবগঞ্জে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ নিহত চারজনের লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন * রাজশাহীতে অফিসার্স মেসে সহকারী পুলিশ কমিশনারের গলায় ফাঁস দেওয়া লাশ * যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন আবৃত্তিশিল্পী মুক্তিযোদ্ধা কাজী আরিফ ক্লিনিক্যালি ডেড, বলেছেন তার মেয়ে * গাজীপুরের শ্রীপুরে ট্রেনের ধাক্কায় বাবা-মেয়ে নিহত * দিনাজপুরে চাল কলে বয়লার বিস্ফোরণে আহত আরও একজনের মৃত্যু, মোট নিহত ১৬ * পটুয়াখালীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জলদস্যু আলিফ ও কবিরাজ বাহিনীর আত্মসমর্পণ * ঝড়ে সিলেট স্টেডিয়ামের ব্যাপক ক্ষতি, ভেঙে পড়েছে অবকাঠামোর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কাচ * প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

ঝালকাঠিতে নদী দখল করে বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৯.০৪.২০১৬

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুমারখালী মরা নদীতে বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে গ্রামবাসী।

সোমবার দুপুর ১২টায় নদীর তীরের সড়কে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে স্থানীয় মৎস্যজীবী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক জামাল হোসেন, কৃষক জাহাঙ্গীর হোসেন, মৎস্যজীবী জব্বার সিকদার ও আশ্রাফ জোমাদ্দার।

এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রায় ৩০ বছর আগে সুগন্ধা নদীর বুকে চর জেগে ওঠায় কুমারখালী এলাকা থেকে ১১৯ একরজুড়ে নদীতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ওই অংশটি পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নদীটি মৃত বলে ঘোষণা করে। তবে সুগন্ধা নদীর সঙ্গে সংযোগের কারণে জোয়ার-ভাটার পানি সচল থাকায় নদীর মৃত অংশে মাছ শিকার করে স্থানীয় ৩০০ পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে। কৃষকরা ফসলের ক্ষেতে ওই নদী থেকেই পানি সরবরাহ করেন। গত ১৬ এপ্রিল স্থানীয় প্রভাবশালী অলিউর রহমান রুনু চৌধুরী, তাঁর ছেলে আসিব চৌধুরী ও রাজীব চৌধুরী ভাড়াটে লোকজন দিয়ে কুমারখালী মরা নদী দখল করে। ওই দিন থেকেই তাঁরা সুগন্ধা নদী থেকে জোয়ার-ভাটার পানি প্রবেশের স্থানটিতে বাঁধ দেওয়ার কাজ শুরু করে। স্থানীয়দের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বাঁধ নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী ওই মহল। এর প্রতিবাদে স্থানীয়রা ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে নদীতে বাঁধ দেওয়ার কাজ বন্ধ করার জন্য স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।