Tuesday 28th of February 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

***গ্যাসের দাম দ্বিতীয় দফায় বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

মুঠোফোনে দুই ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৯.০৪.২০১৬

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুই ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি মুঠোফোনে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পুলিশের এক সদস্য ও স্থানীয় ছাত্রলীগের এক নেতা এ কাণ্ড করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার বাজেমহল গ্রামের বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল মো. সিরাজ (২২) একই এলাকার একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখান। একপর্যায়ে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি তোলেন। পরে সিরাজ তা মুঠোফোনে ছড়িয়ে দেন। বেশ কিছু দিন ধরে বিষয়টি এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। একই প্রলোভন দেখিয়ে উপজেলার মদনপুর গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক সিকদার (২৫) দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন। তিনিও কৌশলে ছাত্রীটির সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তোলেন। পরে তা মুঠোফোনে ছড়িয়ে দেন।  নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা গতকাল শুক্রবার বলেন, এসব আপত্তিকর ছবি মুঠোফোনে ছড়িয়ে পড়ায় ওদের (ছাত্রী দুটির) শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ জীবন হুমকির মুখে পড়েছে। কিন্তু ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনই প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করতে পারছেন না। এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। জানতে চাইলে ভুক্তভোগী একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার এ ঘটনা জানার পর তাঁরা সিরাজের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন তাঁদের বিষয়টি চেপে যেতে বলা হয়। সেই সঙ্গে বাড়াবাড়ি করলে ছাত্রীর পরিবারের অনেক ক্ষতি হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এদিকে দশম শ্রেণির ছাত্রীর পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘তাঁরা (আবদুল মালেক) অনেক প্রভাবশালী। আমরা এর বিচার চাইলে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেওয়া হয়েছে।’ পুলিশ সদস্য সিরাজের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে তাঁর পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনাকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন। অন্যদিকে ছাত্রলীগ নেতা আবদুল মালেক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কারও সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক নেই। মুঠোফোনে আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আযম খান ফারুকী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’