Print

সুন্দরবন-৮ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ড, লাখ লাখ টাকার ক্ষতির আশঙ্কা

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৭.০৫.২০১৬

ঢাকা থেকে বরিশাল আসার পথে সুন্দরবন-৮ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

এসময় লঞ্চে সাড়ে ৬০০ যাত্রী ছিলেন। আগুনে ১০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ করে লঞ্চে আগুন ধরে যায়। এসময় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিভিয়ে ফেলায় কারও কোনও ক্ষতি হয়নি।লঞ্চের কেরানি মো. সুজন জানান, লঞ্চটি বরিশালের কাছাকাছি পৌঁছালে যাত্রীরা কার্গো ডেক থেকে ধোঁয়া দেখতে পান। পরে ঢাকনা খুলে আগুন দেখা যায়। লঞ্চের স্টাফরা তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিভিয়ে ফেলায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি।
তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে ডেকে থাকা মালামালের মধ্যে চার্জার ফ্যান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ব্যবসায়ীরা সকালে ছুটে আসেন। বরিশাল নগরীর গির্জা মহল্লার লঙ্কা করপোরেশনের মালিক সুনীল সাহা জানান, তাদের লক্ষাধিক টাকার ইলেকট্রনিক্স মালামালের অধিকাংশই নষ্ট হয়ে গেছে। চক বাজারের লাভলী স্টোর্সের সাড়ে তিন লাখ টাকার কাপড় নষ্ট হয়েছে। জগন্নাথ ক্লোথ স্টোর্সের সাড়ে ৬ লাখ টাকার কাপড় ও এল ওয়াচ স্টোরের দেড়লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।আগুনে পোড়া পণ্য লঞ্চটি শুক্রবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পরিদর্শন করেছেন।
ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক ফারুক হোসেন জানান, তাদের এক সদস্য এ লঞ্চে যাত্রী হিসেবে ছিলেন। তার সাহসিকতায় লঞ্চের যাত্রীদের সহায়তায় আগুন নেভানো হয়। না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। পুরো বিষয়টি সম্পর্কে তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।সুন্দরবন নেভিগেশনের মালিক এবং বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি সাইদুর রহমানের দাবি, দুই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।তবে যাত্রীবাহী নৌযানে এ ধরনের দাহ্য মালামাল পরিবহনের বিষয়ে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা সত্বেও স্বল্প সময়ে ও স্বল্প ভাড়ায় মালামাল পরিবহনের সহজ কোনও ব্যবস্থা নেই। বুকিংয়ের আগে তা দেখার সুযোগও থাকে না।