Print

মহেশখালীতে পাহাড়ী গাছ কেটে তৈরী করা হচ্ছে অবৈধ ফিশিং বোট

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | ১৬.০৪.২০১৬

উপকুলীয় বন বিভাগে সঠিক নজরদারীর অভাবে এক শ্রেণীর দুষ্কৃতিকারী প্রতি নিয়ত মাদার ট্রি সহ নানা প্রজাতের গাছ কেটে ফিশিং বোট সহ নানান কিছু তৈরী করাতে পরিবেশ বিপর্যস্ত ও সমূলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে মহেশখালীর উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনী।

যারফলে বাড়ছে জলোচ্ছ্বাস প্রাণহানির আশঙ্কা ও জানা গেছে ৩৮৮.৫৫ বর্গ কি:মি: আয়তন উত্তরে চকরিয়া উপজেলা দক্ষিণ পূর্বে কক্সবাজার সদর, দক্ষিণ পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে কুতুবদিয়া উপজেলা জনসংখ্যা ২,৫৬৫৪৬ জন (প্রায়) পাহাড়ী জমির পরিমাণ ১২নং মৌজা ১৮,৩৩৯.৩০ একর সোনাদিয়ার মৌজার জমির পরিমাণ ২৯৬৫.৩৭ একর বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেঁষে অবস্থিত মহেশখালী উপজেলার জন জীবন ও সম্পদকে সমুদ্রের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে ১৯৯১ সালে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার কাজ শুরু হয় গড়ে উঠে সবুজ বেষ্টনীর গাছ গুলোর পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধির ফলে নিরাপত্তা অব্যাহত গতিতে গাছ কাটাঁর কারণে উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনী কোথাও ধূসর এবং কোথাও হয়ে গেছে বিলীন। বন খেকোদের দৌরাত্ম্যে ইতিপূর্বে বিলীন হয়ে গেছে উপকুলের অধিকাংশ বনাঞ্চল। অবশিষ্ট বনাঞ্চলের কেওড়া, বাইন এবং কড়াই গাছ গুলো চোরদের দৌরাত্ম্যে সেগুন, গামারী এর মত ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী, শাপলা পুর, কালারমার ছাড়া, হোয়ানক, বড় মহেশখালী ইউনিয়নে প্রতি প্রতিনিয়ত গাছ কাটার ঘটন্ াঘটেছে। উপজেলায় ২৭ টি স-মিল তৎমধ্যে ২২ টি কোনো লাইসেন্স পত্র নাই। বন খেকোরা গাছ কেটে ট্রাকে, জীপে, ঠেলা গাড়ী ও সাগর পথে বন বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীর সাথে আঁতাত করে রাতারাতি উপকূলীয় বনাঞ্চল উজাড় করার হিড়িক পড়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। বনাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, মানুষের নজর এড়াতে ভেতর থেকে কেটে নেওয়া হচ্ছে বড় বড় গাছগুলো এছাড়াও উপকূলীয় বেড়ীবাঁধ সংলগ্ন বসবাসকারী লোকজন জ্বালানী কাঠ সংগ্রহের জন্য প্রতিনিয়ত কাটছে সবুজ বেষ্টনীর গাছ। বর্তমানে নির্বিচারে গাছ কেটে বনাঞ্চল উজাড় করার কারণে হুমকিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে উপকূলীয় বেড়ীবাঁধ।এই উপকূলীয় সবুজ বনাঞ্চল ধ্বংস বিশেষ থেকে রক্ষা করতে হলে অসাধু বন কর্মকর্তা কর্মচারীকে বদলী ও অবৈধ স-মিল গুলিকে উচ্ছেদ করতে হবে।