Saturday 10th of December 2016

সদ্য প্রাপ্তঃ

***চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবে ভারত***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

UCB Debit Credit Card

‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের অনেকেই স্বাধীনতাবিরোধী মনোভাবে বড় হচ্ছে’

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ২৩.০৪.২০১৬

সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন,

‘কোটার সুযোগ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও পোষ্যদের অনেকেই স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী মনোভাবে বড় হচ্ছে।এটা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য লজ্জাকর।’

এরপর তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অনুরোধ করে বলেন, ‘আপনাদের সন্তান ও পোষ্যদেরও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গতে তুলুন।তাদের শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় না, একজন দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলুন।’

শনিবার ভারত সরকার কর্তৃক চট্টগ্রাম বিভাগের মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বৃত্তি প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র এসব কথা বলেন। সকাল ১০ টায় নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভারতীয় হাইকমিশন, চট্টগ্রাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ভারতীয় হাইকমিশন, চট্টগ্রামের সহকারী হাইকমিশনার সোমনাথ হালদার।শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শহীদ জায়া বেগম মুশতারী শফী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র আরও বলেন, ‘ভারত আমাদের বন্ধুত্বপরায়ন দেশ।আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান অনস্বীকার্য।তাদের সেই ত্যাগ জাতী হিসেবে আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে।ভারত ও বাংলাদেশ পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে চলমান সমস্যাবলী মিটিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে এটাই আমাদের বিশ্বাস।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভারতীয় হাইকমিশন, ‘চট্টগ্রামের সহকারী হাইকমিশনার সোমনাথ হালদার বলেন, ‘বাংলাদেশ আর ভারতের বন্ধুত্ব রক্তের অক্ষরে লেখা আছে।দুই দেশের্ এই সম্পর্ক কখনও মুছে যাবার নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত সরকার বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ২০০৬ সাল থেকে এই বৃত্তি চালু করে।মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের যে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় তেমন কিছুই নয়।এটা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাদের জন্য একটা শুভেচ্ছা স্মারক।’

শুভেচ্ছা বক্তব্যে বেগম মুশতারী শফি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, ভারত সরকার এখনও আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের মনে রেখেছেন, তাদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি দিচ্ছেন সেটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওনা।ভবিষ্যতেও যেনো ভারত সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থাকেন।’ অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম অঞ্চলে স্নাতক পর্যায়ে পড়া মুক্তিযোদ্ধার ৮০ সন্তানকে বৃত্তি প্রদান করেন অতিথিরা।

২০০৬ সাল থেকে ভারত সরকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য এই বৃত্তি চালু করেন।এ পর্যন্ত সাড়ে নয় হাজার শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পেয়েছেন।

সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, ‘কোটার সুযোগ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও পোষ্যদের অনেকেই স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী মনোভাবে বড় হচ্ছে।এটা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য লজ্জাকর।’

এরপর তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অনুরোধ করে বলেন, ‘আপনাদের সন্তান ও পোষ্যদেরও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গতে তুলুন।তাদের শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় না, একজন দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলুন।’

শনিবার ভারত সরকার কর্তৃক চট্টগ্রাম বিভাগের মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বৃত্তি প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র এসব কথা বলেন। সকাল ১০ টায় নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভারতীয় হাইকমিশন, চট্টগ্রাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ভারতীয় হাইকমিশন, চট্টগ্রামের সহকারী হাইকমিশনার সোমনাথ হালদার।শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শহীদ জায়া বেগম মুশতারী শফী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র আরও বলেন, ‘ভারত আমাদের বন্ধুত্বপরায়ন দেশ।আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান অনস্বীকার্য।তাদের সেই ত্যাগ জাতী হিসেবে আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে।ভারত ও বাংলাদেশ পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে চলমান সমস্যাবলী মিটিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে এটাই আমাদের বিশ্বাস।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভারতীয় হাইকমিশন, ‘চট্টগ্রামের সহকারী হাইকমিশনার সোমনাথ হালদার বলেন, ‘বাংলাদেশ আর ভারতের বন্ধুত্ব রক্তের অক্ষরে লেখা আছে।দুই দেশের্ এই সম্পর্ক কখনও মুছে যাবার নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত সরকার বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ২০০৬ সাল থেকে এই বৃত্তি চালু করে।মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের যে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় তেমন কিছুই নয়।এটা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাদের জন্য একটা শুভেচ্ছা স্মারক।’

শুভেচ্ছা বক্তব্যে বেগম মুশতারী শফি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, ভারত সরকার এখনও আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের মনে রেখেছেন, তাদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি দিচ্ছেন সেটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওনা।ভবিষ্যতেও যেনো ভারত সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থাকেন।’ অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম অঞ্চলে স্নাতক পর্যায়ে পড়া মুক্তিযোদ্ধার ৮০ সন্তানকে বৃত্তি প্রদান করেন অতিথিরা। 

২০০৬ সাল থেকে ভারত সরকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য এই বৃত্তি চালু করেন।এ পর্যন্ত সাড়ে নয় হাজার শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পেয়েছেন।

- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/71520#sthash.TYA7xjK2.dpuf