মুদ্রণ

খালেদা ও তারেককে দল থেকে বাদ দিলেই বিএনপির জনসমর্থন বাড়বে

বিডিনিউজডেস্ক.কম | তারিখঃ ০৭.০৯.২০১৫

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, বিএনপি থেকে বেগম খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমানকে দল থেকে বাদ দিলেই তাদের জনপ্রিয়তা বাড়বে।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাসে পেট্রোল বোমা হামলা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছেন। আর এ নাশকতার দায় সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার জন্য মিথ্যাচার করেছেন। এতে খালেদা জিয়া জনগণের কাছে মিথ্যাবাদী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন উল্লেখ করে হানিফ আরো বলেন, খালেদা জিয়া ও দুর্নীতিবাজ তারেক রহমানকে বাদ দিয়ে বিএনপিকে ঢেলে সাজাতে পারলেই দলটির প্রতি জনগণের সমর্থন বাড়বে। হানিফ আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর গণি মিয়া সড়কস্থ বিদ্যুৎ ভবনে ডিপিডিসি শ্রমিক কর্মচারী লীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘আমরা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় গ্রহন কালে দেশ অন্ধকাওে ছিল। সেই অন্ধকার থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলোর পথে নিয়ে এসেছেন। তাই শেখ হাসিনা এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে।
তিনি বলেন, ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই)’র জরিপে উঠে এসেছে শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা তলানিতে পড়ে গেছে।
বিএনপির মধ্যবতী নির্বাচনের দাবীর প্রেক্ষিতে বলেন, সরকারের জনপ্রিয়তা থাকলেই বছরে বছরে নির্বাচন দিতে হবে সেটা কোন সুস্থ মানুষ বলতে পারে না।। নির্বাচন কি ছেলের হাতের মোয়া। এসব চিন্তা ধারা দুর করতে হবে।
বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে বলতে গিয়ে হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল একটাই বাঙালীর জাতির মুক্তি। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ড ক্ষমতার জন্য ছিলনা। পরাজিত শক্তির প্রতিশোধ নেবার জন্যই এ হত্যাকান্ড।
তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন পাকিস্তানের এজেন্ট। তিনি কোনো মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। কেউ তথ্য দিতে পারেননি তিনি কোথায় মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। আর যদি তিনি মুক্তিযোদ্ধা থাকতেন তাহলে কি করে স্বাধীনতা বিরোধীদের ক্ষমা করেন। তিনি কি করে রাজাকারদের বিভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের যেসব দেশ আশ্রয় দিয়েছেন তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, যারা মানবাধিকারের কথা বলে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃতি খুনিদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয় তাদের মুখে মানবাধিকার মানায় না। আমরা দাবি জানাই অবিলম্বে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে দিন।
সংগঠনের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. নজরুল হাসান প্রমুখ।