Saturday 25th of March 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

***আইপিএলকে বাতিল করে দিল বিসিসিআই!***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

সড়ক পথে ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের গন্তব্যে যেতে সময় কমছে ১ ঘন্টা

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৮.০১.২০১৭

আগামী ১২ জানুয়ারী থেকে পদ্মাসেতুর সংযোগ সড়ক শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা থেকে মাদারীপুরের পাচ্চর পর্যন্ত ১২ কিলোমিটারের একাংশ খুলে দেওয়া হচ্ছে।

ফলে এখন থেকে জাজিরার কাঁঠালবাড়ি ঘাটে নেমে গাড়ি নিয়ে পদ্মাসেতুর চার লেনের সংযোগ সড়কের পাশ দিয়ে পাচ্চর পর্যন্ত যাওয়া যাবে। আর মাওয়া (শিমুলিয়া ঘাট) থেকে ফেরিতে পদ্মা পাড়ি দিয়ে কাঁঠালবাড়ি ঘাট নেমে, সেখান থেকে দক্ষিণাঞ্চলের যে কোনো স্থানে যেতে আগের চেয়ে এক ঘণ্টা সময় কম লাগবে। অথ্যাৎ রাজধানী থেকে দক্ষিণাঞ্চলের যে কোন গন্তব্যে যেতে আগের চেয়ে এক ঘন্টা সময় কম লাগবে। আজ রোববার (০৮ জানুয়ারী) বেলা  ১১টা ৪০ মিনিটে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের জাজিরা সংযোগ সড়কের শিবচর-কাঁঠালবাড়ী অংশের উদ্বোধন হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মাদারীপুরের শিবচর গোলচত্বরে এ সংযোগ সড়ক উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য বিএম মোজাম্মেল হক ও মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী। এদিকে ১১ জানুয়ারি কাঁঠালবাড়ি ঘাট উদ্বোধন করা হবে। আর ১২ জানুয়ারি থেকে মাওয়া (শিমুলিয়া) থেকে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে ফেরি চলাচল শুরু হবে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে পদ্মাসেতুর সংযোগ সড়ক প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম জানান, সংযোগ সড়ক প্রকল্পের জাজিরা সার্ভিস এরিয়া-৩ এর (পাচ্চর) পাশ দিয়ে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে গেছে একটি সড়ক, আর কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে শরীয়তপুরের দিকে গেছে আরেকটি সড়ক। এ দু’টি সড়ক গত ৬-৭ মাস ধরে পুরোপুরি নতুন করে করে নির্মাণ করা হয়েছে, কাঁঠালবাড়ি ঘাটে যাতায়াতের সে দু’টি সড়কই এখন খুলে দেওয়া হচ্ছে। সংযোগ সড়ক প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, পদ্মার জাজিরা পাড়ের নাওডোবা থেকে পাচ্চর পর্যন্ত পদ্মাসেতুর চার লেন সংযোগ সড়ক দেশের যেকোনো সড়কপথের চেয়ে বেশি মসৃণ এবং বড় আকারে বানানো হয়েছে। কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে এসে এই সড়কও ব্যবহার করা যাবে। এই ১২ কিলোমিটার সড়কপথে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারবে গাড়ি। সড়কটির ওপরের স্তরগুলোর পুরুত্ব এতোই শক্তিশালী যে, দেশে এই প্রথম কোনো সড়কে ৬ ইঞ্চি কার্পেটিং করা হলো। তারা আরো জানান, চালু করার পরবর্তী ১০ বছর এ সড়কে কোনো মেরামত ছাড়াই যান চলাচল করবে।সংযোগ সড়কটি সমতল থেকে গড়ে পাঁচ থেকে ছয় মিটার উঁচু। আর রাস্তার মাঝখানে এমন ফাঁকা জায়গা রাখা হয়েছে যেন ভবিষ্যতে ফ্লাইওভার ও মেট্রো রেলের পিলার তোলা যায়। সড়কটির প্রতিটি লেন ১২ ফুট প্রশস্ত। এই ১২ কিলোমিটার সড়কপথের মধ্যে ২০টি কালভার্ট এবং ৮টি ডাবল ও সিঙ্গেল আন্ডারপাস রয়েছে। এদিকে, পাচ্চর পর্যন্ত গিয়ে পদ্মাসেতুর সংযোগ সড়ক শেষ হয়ে গেলেও সেখান থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে চার লেন সড়কের কাজের দরপত্র হয়ে গেছে। আর ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে একটি সড়ক সদরে, একটি বরিশালে এবং একটি খুলনার দিকে গেছে। ভাঙ্গা থেকে বরিশাল পর্যন্ত দুই লেনের ৯১ কিলোমিটার সড়কের মাঝখানে থাকবে ডিভাইডার।