আজ মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** বনানীতে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাতসহ পাঁচজনের বিচার শুরু * ভিয়েতনাম থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন চালের প্রথম চালান নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ * লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে সংঘর্ষে চালক নিহত * তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা * সীতাকুণ্ডে নয় শিশুর মৃত্যু ও ৪৬ জনের অসুস্থতার কারণ এখনও শনাক্ত করা যায়নি * চিকিৎসকরা বলছেন, ত্রিপুরা পাড়ার অসুস্থ শিশুরা মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে * ৫৬ ইউনিয়ন পরিষদ এবং একটি করে পৌরসভা ও জেলা পরিষদের কয়েকটি ওয়ার্ডে ভোট চলছে * চট্টগ্রামে ইয়াবা ও চোলাই মদসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর * দুর্নীতির দায়ে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলার সাড়ে নয় বছরের কারাদণ্ড

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

উত্তরখানে শিশুকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা

বিডিনিউজডেস্ক  ডেস্ক | তারিখঃ ১৯.০৪.২০১৬

রাজধানীর উত্তরখানে নিজ শিশু সন্তানকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছে মা মুক্তি।

তাকে খুন করার পর নিজে ব্লেড দিয়ে গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। সোমবার রাতে নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটান ওই নারী। নিহত নেহাল সাদীর বয়স দেড় বছর। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে মুক্তি তার সন্তানকে ঘুমন্ত অবস্থায় বিছানার ওপরেই খুন করেন। মুক্তি ধূমপায়ী ছিলেন।উত্তরখান থানার ওসি শেখ সিরাজুল হক বলেন, ধারণা করা হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছিল। ছেলেকে নিয়ে স্ত্রীকে চলে যেতে বলেছিলেন স্বামী সাজ্জাদ। এসবের জের ধরেই ছেলেকে খুন করে ওই নারী নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তিনি নিজের গলা ব্লেড দিয়ে কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। রাতেই তাকে আটক করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।জানা যায়, উত্তরখানের মাস্টারপাড়া সোসাইটি এলাকার ৮৫৯ নাম্বার ভবনের ৪র্থ তলায় মুক্তি ২ বছর ধরে ভাড়া থাকেন। তার স্বামী সাজ্জাদ হোসেন মুরাদ কাপড়ের দোকানের কর্মচারী। মুক্তি ও মুরাদের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। নেহাল তাদের একমাত্র সন্তান। সোমবার রাতে মুরাদ কর্মস্থলে ছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির মালিক ওয়াহেদুজ্জামান পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে রাত ১২টার পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। ছেলের লাশের পাশেই পড়েছিলেন মা মুক্তি। রাতেই মুক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এর পরপরই মুরাদ বাসায় ফিরে দেখেন, বিছানার ওপর তার ছেলে নেহাল রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ছেলের খুনের ঘটনায় তিনি বারবার জ্ঞান হারান। জ্ঞান ফিরে পেয়ে স্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘তোর কিসের এত অভাব ছিল। খাবার-দাবারের তো কোনো কমতি ছিল না।’ মুক্তি আগের স্বামীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে নিয়মিত কথা বলতেন বলে জানান তিনি। সাজ্জাদ বলেন, মুক্তির জন্য তিনি প্রতি রাতে সিগারেট কিনে নিয়ে আসতেন।