আজ রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন * শোকের দিনে খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন চলতে থাকলে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা নয়: কাদের * মৌলভীবাজারের রাজনগরে যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষীর ওপর হামলার অভিযোগ * গাজীপুরের টঙ্গীর রাস্তায় দুইজনের লাশ; পুলিশের ধারণা, তারা গাড়িচাপায় নিহত হয়েছে * ঢাকার পান্থপথে একটি আবাসিক হোটেলে পুলিশের অভিযানে সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত * আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে ওই ‘জঙ্গি’সুইসাইড ভেস্টে বিস্ফোরণ ঘটায়: পুলিশ * নিহত যুবক খুলনা বিএল কলেজের ছাত্র, বাড়ি ডুমুরিয়ায়; পুলিশ বলছে, সে নব্য জেএমবির সদস্য

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

উত্তরখানে শিশুকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা

বিডিনিউজডেস্ক  ডেস্ক | তারিখঃ ১৯.০৪.২০১৬

রাজধানীর উত্তরখানে নিজ শিশু সন্তানকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছে মা মুক্তি।

তাকে খুন করার পর নিজে ব্লেড দিয়ে গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। সোমবার রাতে নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটান ওই নারী। নিহত নেহাল সাদীর বয়স দেড় বছর। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে মুক্তি তার সন্তানকে ঘুমন্ত অবস্থায় বিছানার ওপরেই খুন করেন। মুক্তি ধূমপায়ী ছিলেন।উত্তরখান থানার ওসি শেখ সিরাজুল হক বলেন, ধারণা করা হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছিল। ছেলেকে নিয়ে স্ত্রীকে চলে যেতে বলেছিলেন স্বামী সাজ্জাদ। এসবের জের ধরেই ছেলেকে খুন করে ওই নারী নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তিনি নিজের গলা ব্লেড দিয়ে কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। রাতেই তাকে আটক করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।জানা যায়, উত্তরখানের মাস্টারপাড়া সোসাইটি এলাকার ৮৫৯ নাম্বার ভবনের ৪র্থ তলায় মুক্তি ২ বছর ধরে ভাড়া থাকেন। তার স্বামী সাজ্জাদ হোসেন মুরাদ কাপড়ের দোকানের কর্মচারী। মুক্তি ও মুরাদের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। নেহাল তাদের একমাত্র সন্তান। সোমবার রাতে মুরাদ কর্মস্থলে ছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির মালিক ওয়াহেদুজ্জামান পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে রাত ১২টার পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। ছেলের লাশের পাশেই পড়েছিলেন মা মুক্তি। রাতেই মুক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এর পরপরই মুরাদ বাসায় ফিরে দেখেন, বিছানার ওপর তার ছেলে নেহাল রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ছেলের খুনের ঘটনায় তিনি বারবার জ্ঞান হারান। জ্ঞান ফিরে পেয়ে স্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘তোর কিসের এত অভাব ছিল। খাবার-দাবারের তো কোনো কমতি ছিল না।’ মুক্তি আগের স্বামীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে নিয়মিত কথা বলতেন বলে জানান তিনি। সাজ্জাদ বলেন, মুক্তির জন্য তিনি প্রতি রাতে সিগারেট কিনে নিয়ে আসতেন।