আজ মঙ্গলবার, ৩০ মে, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হল আলোচিত ভাস্কর্যটি * মধ্যরাতে ভাস্কর্য অপসারণের কাজ চলার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের সামনে বিক্ষোভ * ‘চাপে পড়ে’ ভাস্কর্যটি সরানোর কথা বললেন ভাস্কর মৃণাল হক; তবে কার চাপ, তা বলেননি তিনি * খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদককে গুলি চালিয়ে হত্যা, গুলিতে তার সহকারীও নিহত * সরকার বিরোধী নেতা-কর্মীদের হত্যার মিশনে, বললেন খালেদা জিয়া * মাগুরায় জেলা প্রশাসককে ঘুষ দিতে গিয়ে ৫ লাখ টাকাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

এনআইডি সার্ভারে ত্রুটি নেই : তারানা হালিম

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ২৯.০৪.২০১৬

ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সার্ভারে কোনো ত্রুটি নেই।

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্ভারে সমস্যা আছে কি না, সেটা দেখতে হবে।

আজ শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার কান্দাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব বলেন তারানা হালিম।

টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জানান, এখনো পাঁচ কোটি সিম নিবন্ধন বাকি আছে। এটা ঠিক নয়। জঙ্গি অর্থায়নে যে সিম রয়েছে সেগুলো ঝরে পড়বে। গতকাল সকাল পর্যন্ত আট কোটি ৩৮ হাজার সিম বায়োমেটিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন হয়েছে। এর মধ্যে আরো নিবন্ধন হয়েছে। সরকারের নয় থেকে ১০ কোটি সিম নিবন্ধনের টার্গেট রয়েছে। জনগণের ভোগান্তির ব্যাপারে সিম অপারেটদের আরো সচেতন হওয়া উচিত ছিল বলে তিনি মনে করেন।

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়ানো হবে কি না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে জনগণের মতামতকেই গুরুত্ব দেওয়া হবে। তবে অনির্দিষ্টিকালের জন্য হবে না। এর একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকবে। আগামীকাল ৩০ এপ্রিল এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।   

এর আগে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। স্থানীয় লোকজন বিদ্যালয়টি প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে রূপান্তরের দাবি জানালে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে জানান।

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী, তারাবো পৌরসভার মেয়র হাসিনা গাজী, সাবেক মেয়র মাহবুব খান, ডাক বিভাগের পরিদর্শক নাসির আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার হোসেন ও স্থানীয় দলীয় নেতারা।