Print

পলাশে ১৪ দিনেও অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার হয়নি

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ৩০.০৪.২০১৬

নরসিংদীর পলাশের জিনারদী ইউনিয়ন থেকে অপহরণের ১৪ দিনেও সংখ্যালঘু পরিবারের স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

তারা কেবল অভিযুক্ত অপহরণকারীর ভাই বরকতউল্লাকে আটক করেছে। এ ঘটনায় এলাকার সংখ্যালঘু পরিবারগুলোর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকায় অনেক পরিবার তাদের মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানা গেছে। পলাশ থানা ও অপহৃতার পরিবার সূত্রে জানা যায়, জিনারদী ইউনিয়নের নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী গত ১৬ এপ্রিল স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। ফেরার পথে ওবায়দুল্লাহ নামের এক বখাটে দলবল নিয়ে মেয়েটিকে জোর করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠিয়ে নিয়ে যায়। ওবায়দুল্লাহর বাড়ি ঘোড়াশাল পৌর এলাকার দক্ষিণ পলাশ গ্রামে।

অপহৃত স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় অপহরণের ঘটনাটি ঘটে। এ কারণে গত বৃহস্পতিবার তিনি পলাশ থানায় অপহরণ মামলা করেন। এ বিষয়ে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অপহরণের ঘটনায় অপহরণকারীর ভাই বরকতউল্লাহকে আটক করা হয়েছে। অপহৃতা ছাত্রীকে উদ্ধারের জোর প্রচেষ্টা চলছে। নরসিংদীর পলাশের জিনারদী ইউনিয়ন থেকে অপহরণের ১৪ দিনেও সংখ্যালঘু পরিবারের স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। তারা কেবল অভিযুক্ত অপহরণকারীর ভাই বরকতউল্লাকে আটক করেছে। এ ঘটনায় এলাকার সংখ্যালঘু পরিবারগুলোর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকায় অনেক পরিবার তাদের মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানা গেছে। পলাশ থানা ও অপহৃতার পরিবার সূত্রে জানা যায়, জিনারদী ইউনিয়নের নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী গত ১৬ এপ্রিল স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। ফেরার পথে ওবায়দুল্লাহ নামের এক বখাটে দলবল নিয়ে মেয়েটিকে জোর করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠিয়ে নিয়ে যায়। ওবায়দুল্লাহর বাড়ি ঘোড়াশাল পৌর এলাকার দক্ষিণ পলাশ গ্রামে। অপহৃত স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় অপহরণের ঘটনাটি ঘটে। এ কারণে গত বৃহস্পতিবার তিনি পলাশ থানায় অপহরণ মামলা করেন। এ বিষয়ে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অপহরণের ঘটনায় অপহরণকারীর ভাই বরকতউল্লাহকে আটক করা হয়েছে। অপহৃতা ছাত্রীকে উদ্ধারের জোর প্রচেষ্টা চলছে।