আজ মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** বনানীতে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাতসহ পাঁচজনের বিচার শুরু * ভিয়েতনাম থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন চালের প্রথম চালান নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ * লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে সংঘর্ষে চালক নিহত * তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা * সীতাকুণ্ডে নয় শিশুর মৃত্যু ও ৪৬ জনের অসুস্থতার কারণ এখনও শনাক্ত করা যায়নি * চিকিৎসকরা বলছেন, ত্রিপুরা পাড়ার অসুস্থ শিশুরা মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে * ৫৬ ইউনিয়ন পরিষদ এবং একটি করে পৌরসভা ও জেলা পরিষদের কয়েকটি ওয়ার্ডে ভোট চলছে * চট্টগ্রামে ইয়াবা ও চোলাই মদসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর * দুর্নীতির দায়ে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলার সাড়ে নয় বছরের কারাদণ্ড

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

শিশু নিহাল হত্যায় মা ফাহমিদা রিমান্ডে

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৩.০৫.২০১৬

দেড় বছরের শিশু নিহাল সাদিক হত্যায় শিশুটির মা ফাহমিদা মীর মুক্তির (৩৫) ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

সোমবার ঢাকার সিএমএম আদালতের বিচারক মারুফ হোসেন এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ২৯ এপ্রিল এ আসামীর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন উত্তরখান থানার ওসি (তদন্ত) মো. রেজাউল করিম।রিমান্ডে আবেদনে বলা হয়, দেড় বছরের শিশু নিহাল সাদিককে ধারালো ছুরি বা  ব্লেড দিয়ে কেটে হত্যা করা হয়। সেই সঙ্গে আসামি ফাহমিদাও ধারালো ব্লেড বা ছুরি দিয়ে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। আত্মহত্যার চেষ্টার দায়ে ফাহমিদার বিরুদ্ধে উত্তরখান থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি আত্মহত্যার চেষ্টার কথা স্বীকার করেছেন। তবে নিহালকে হত্যা এবং নিজে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল রাত সাড়ে ১২টার দিকে উত্তর খান থানাধীন মাস্টার পাড়ার সোসাইটি রোডের বাসায় খুন হন দেড় বছরের শিশু নিহাল সাদিক।পুলিশের ধারণা, স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক কলহের জের ধরে ঘুমন্ত শিশু নিহালকে খুন করেন তার মা ফাহমিদা মুক্তি। ছেলেকে খুন করে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি।

গত ১৮ এপ্রিল মধ্যরাতে পুলিশ মুক্তিকে হেফাজতে নিয়ে প্রথমে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন মুরাদ বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে পুলিশ আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।