আজ শুক্রবার, ২৬ মে, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হল আলোচিত ভাস্কর্যটি * মধ্যরাতে ভাস্কর্য অপসারণের কাজ চলার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের সামনে বিক্ষোভ * ‘চাপে পড়ে’ ভাস্কর্যটি সরানোর কথা বললেন ভাস্কর মৃণাল হক; তবে কার চাপ, তা বলেননি তিনি * খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদককে গুলি চালিয়ে হত্যা, গুলিতে তার সহকারীও নিহত * সরকার বিরোধী নেতা-কর্মীদের হত্যার মিশনে, বললেন খালেদা জিয়া * মাগুরায় জেলা প্রশাসককে ঘুষ দিতে গিয়ে ৫ লাখ টাকাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

জাবিতে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৩.০৫.২০১৬

পুলিশি হামলায় মদদদানের অভিযোগ তুলে প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহার পদত্যাগের দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

পদত্যাগ দাবি তোলার পর প্রতিদিনই কোনো না কোনো কর্মসূচি পালন করছে আন্দোলনকারী বাম প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো। এরই অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন আন্দোলনকারীরা।

প্রগতিশীল ছাত্রজোট, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্য ও জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের ব্যানারে সমাজবিজ্ঞান অনুষদ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি দীপাঞ্জন সিদ্ধান্ত কাজল বলেন, ‘এ প্রক্টর বারবার বিতর্কের জন্ম দিলেও এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। কী কারণে প্রশাসন এ ধরনের পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে, তা আমাদের জানা নেই। প্রক্টর পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা এ আন্দোলন চালিয়ে যাব।’ এ সময় আগামীকাল বুধবার থেকে ছাত্র ইউনিয়ন গণসংযোগ চালাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি জুবায়ের টিপু বলেন, ‘৩ মের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য আমাদের আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। এতে কী প্রমাণিত হয়? এখানে স্পষ্ট যে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও এই নির্লজ্জ প্রক্টরের পক্ষাবলম্বন করছে।’

এর আগে ২৫ এপ্রিল প্রগতিশীল ছাত্রজোট এবং সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্যের ডাকা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে হরতাল পালনকালে পুলিশ ছাত্রদের ওপর হামলা চালায়। এতে ২০ জন আহত ও ১২ জন আটক হয়।

প্রক্টরের যোগসাজশে এ হামলা ও আটকের ঘটনা ঘটেছে এমন অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীরা ওই দিন থেকে প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছেন।