মুদ্রণ

পুলিশের পাহারায় মা ইলিশ নিধন
জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ ০৪.১০.২০১৫

ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার বিষখালি নদীতে আবারো পুলিশি পাহারায় মা ইলিশ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।

রাজাপুর থানার বিতর্কিত এএসআই মিজানুর রহমানের পাহারায় এ ইলিশ নিধন চলছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ তুলেছেন।শুক্রবার রাতে এএসআই মিজানের নির্দেশে জেলেরা মা ইলিশ নিধন করে। গত ৫দিন আগে তার বিরুদ্ধে একই অভিযোগে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার বিকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অফিস ও রাজাপুর থানা পুলিশ বিষখালি নদীতে যৌথ অভিযান চালায়। রাত ৮টার দিকে প্রশাসন তাদের অভিযান সমাপ্ত করে। পরে গভীর রাতে বড়ইয়া ইউনিয়নে দায়িত্বরত রাজাপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান অন্যান্য জেলেদের নিষেধ করে তার মনোনীত ১৩টি নৌকার জেলেদের নদীতে নামিয়ে মা ইলিশ শিকারের নির্দেশ দেন। এসময় তিনি বিষখালি নদীর পাড়ে ১ জন কনস্টেবলকে দাঁড় করে রাখেন। জেলেরা মাছ ধরার পরে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সেখানে আরো দুজন পুলিশ দিয়ে দু’বস্তা মা ইলিশ থানায় পাঠিয়ে দেন। পরে সকাল ৭টার দিকে কনস্টেবলসহ এএসআই মিজান একটি বস্তা ও একটি বাজারের ব্যাগে করে বাকি ইলিশ নিয়ে আসেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জেলে জানান, মিজান স্যার আমাদের নদীতে জাল ফেলতে বলেছেন। তবে আমদের সবাইকে মাছ ধরতে দেয়নি। রাতের জোয়ারে অনেক মাছ ধরা পড়েছে। তাই তার অর্ধেক মাছ স্যারকে বস্তায় ভরে দিয়ে দিয়েছি।
অপর এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সাধারণ পোশাকে রাজাপুর থানার এএসআই বাদল ও আব্দুর রহমান পালট থেকে বস্তায় করে মাছ নিয়ে গেছেন।
এ ব্যাপারে এএসআই মিজানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ইলিশ নিধন ও মাছ আনার বিষয়টি অস্বীকার করেন।