আজ সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** বনানীতে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাতসহ পাঁচজনের বিচার শুরু * ভিয়েতনাম থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন চালের প্রথম চালান নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ * লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে সংঘর্ষে চালক নিহত * তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা * সীতাকুণ্ডে নয় শিশুর মৃত্যু ও ৪৬ জনের অসুস্থতার কারণ এখনও শনাক্ত করা যায়নি * চিকিৎসকরা বলছেন, ত্রিপুরা পাড়ার অসুস্থ শিশুরা মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে * ৫৬ ইউনিয়ন পরিষদ এবং একটি করে পৌরসভা ও জেলা পরিষদের কয়েকটি ওয়ার্ডে ভোট চলছে * চট্টগ্রামে ইয়াবা ও চোলাই মদসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর * দুর্নীতির দায়ে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলার সাড়ে নয় বছরের কারাদণ্ড

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

এমপির উপস্থিতিতে শিক্ষককে কান ধরিয়ে ওঠ-বস!

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৪.০৫.২০১৬

নারায়ণগঞ্জে একজন স্কুলশিক্ষককে স্থানীয় এমপি সেলিম ওসমানের উপস্থিতিতে কান ধরে ওঠ-বস করিয়ে সাজা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মদনপুর ইউনিয়নের পিয়ার সাত্তার লতিফ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে এর আগে উত্তেজিত একদল লোক মারধর করে।

প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত তার ওপর নির্যাতনের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে। সেখানে তিনি দাবি করেন, স্কুলের পরিচালনা কমিটি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তাঁর ওপর এই নির্যাতন চালানো হয়।

শিক্ষক শ্যামল কান্তির অভিযোগ, ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় জনতাকে ক্ষেপিয়ে তোলা হয়েছিল।  তিনি জানান, কিছুদিন আগে তিনি স্কুলের এক ছাত্রকে সাজা দিতে গিয়ে মারধর করেছিলেন। পরিচালনা কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে সেই ঘটনাটিকে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। বলা হয়, এই ছাত্রকে মারার সময় তিনি ধর্ম সম্পর্কে কটু কথা বলেছেন, যা একেবারেই মিথ্যা বলেও দাবি করেন ওই শিক্ষক।এদিকে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম জানিয়েছেন, স্থানীয় জনতার রোষের হাত থেকে ওই শিক্ষককে বাঁচাতে পুলিশ তাঁকে নিরাপত্তা হেফাজতে নিতে বাধ্য হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় এমপি সেলিম ওসমানও বিবিসির কাছে স্বীকার করেছেন, তাঁর উপস্থিতেই এই শিক্ষককে কান ধরে ওঠ-বস করিয়ে সাজা দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, জনরোষ থেকে এই শিক্ষককে বাঁচাতে এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।