মুদ্রণ


স্পোর্টস ডেস্ক | তারিখঃ ১১.১০.২০১৫

লক্ষ্য বেশ বড়—৩০৪ রান। রোহিত শর্মার ১৫০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসও ‘টিম ইন্ডিয়া’কে জয় এনে দিতে পারেনি। নাটকীয়ভাবে ৫ রানে জিতে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা এখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে।

রোহিত আর অজিঙ্কা রাহানের মধ্যে গড়ে ওঠা ১৪৯ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি লক্ষ্যের পথে অনেকখানি এগিয়ে দিয়েছে ওয়ানডের দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের।
রাহানে ৮২ বলে ৬০ করে বিদায় নেওয়ার পর বিরাট কোহলি (১১) বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। ৪৭তম ওভারের প্রথম বলে ইমরান তাহিরকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয়েছে রোহিতকে। ১৩৩ বলের চমৎকার ইনিংসটি সাজানো ১৩টি চার ও ৬টি ছক্কায়। সেই ওভারেই সুরেশ রায়নাকে (৩) জেপি ডুমিনির ক্যাচ বানিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে খেলায় ফিরিয়েছেন লেগস্পিনার তাহির।
রোহিতের বিদায়ের সময় ভারতের প্রয়োজন ছিল ২৩ বলে ৩৫ রান। মহেন্দ্র সিং ধোনি অনেক চেষ্টা করেও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। শেষ ওভারে পেসার কাগিসো রাবাদাকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেওয়া ভারত অধিনায়কের অবদান ৩১ রান। ৩০ বলের ইনিংসটিতে চার মাত্র একটি, ছক্কা নেই। সেজন্যই বোধহয় ৫ রানের ব্যবধান ঘোচাতে পারেনি স্বাগতিক দল। রাবাদা আর তাহির দুজনেরই শিকার দুটি করে উইকেট।
ডি ভিলিয়ার্সের ২১তম ওয়ানডে শতকের ওপরে ভর করে প্রোটিয়ারা গড়েছে ৫ উইকেটে ৩০৩ রানের বড় সংগ্রহ। কানপুরে এটাই সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। উদ্বোধনী জুটিতে ৪৫ রান যোগ করে শুরুটা ভালোভাবে করেছিলেন দুই ওপেনার কুইন্টন ডি কক (২৯) ও হাশিম আমলা (৩৭)। নবম ওভারে ডি কককে আউট করে ভারতকে প্রথম সাফল্য এনে দেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। কিন্তু এতেও খুব বেশি স্বস্তিতে থাকতে পারেনি স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটি গড়েন আমলা ও ফাফ ডু প্লেসি। ২৩তম ওভারে আমলা আউট হয়ে গেলেও ভারতীয় বোলারদের চাপের মধ্যে ডু প্লেসি। খেলেছেন ৭৭ বলে ৬২ রানের লড়াকু ইনিংস।ভারতকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্স।
চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে পাঁচটি চার ও ছয়টি ছয় মেরে খেলেছেন ৭৩ বলে ১০৪ রানের অপরাজিত ইনিংস। শেষ দিকে ফারহান বেহারদিনের ১৯ বলে ৩৫ রানের ঝড়ো ইনিংসও ভালো অবদান রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকার বড় সংগ্রহ এনে দিতে।ভারতের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন অমিত মিশ্র ও উমেশ যাদব।