আজ শনিবার, ২২ জুলাই, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** বনানীতে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাতসহ পাঁচজনের বিচার শুরু * ভিয়েতনাম থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন চালের প্রথম চালান নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ * লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে সংঘর্ষে চালক নিহত * তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা * সীতাকুণ্ডে নয় শিশুর মৃত্যু ও ৪৬ জনের অসুস্থতার কারণ এখনও শনাক্ত করা যায়নি * চিকিৎসকরা বলছেন, ত্রিপুরা পাড়ার অসুস্থ শিশুরা মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে * ৫৬ ইউনিয়ন পরিষদ এবং একটি করে পৌরসভা ও জেলা পরিষদের কয়েকটি ওয়ার্ডে ভোট চলছে * চট্টগ্রামে ইয়াবা ও চোলাই মদসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর * দুর্নীতির দায়ে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলার সাড়ে নয় বছরের কারাদণ্ড

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

টঙ্গীতে জোড়া খুনে মামলা

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৬.০৫.২০১৬

গাজীপুরের টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকায় যুবলীগ কর্মী শরীফসহ দুইজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

রোববার রাতে টঙ্গী মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহত শরীফের মা মোসা. ইয়ানুর বেগম। মামলায় বিএনপি নেতা কামরুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর সন্দেহভাজন তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।টঙ্গী মডেল থানার ডিউটি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, এরশাদনগর এলাকায় তার পরিচিত ১২ জন পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে তার ছেলে শরীফ হোসেন ও সহযোগী জুম্মনকে কুপিয়ে হত্যা করে।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও টঙ্গী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম কামু গ্রুপের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ছিল নিহত শরীফের। আর এই দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে এ জোড়া খুনের ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে হত্যায় জড়িত সন্দেহে সোহেল রানা, অপু এবং আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।রোববার সকালে টঙ্গীর এরশাদ নগর এলাকায় আলাউদ্দিনের ছেলে শরীফুল ইসলাম ও একই এলাকার হারুন মিয়ার ছেলে জুম্মন আলীকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহত শরীফুল ইসলাম স্থানীয় যুবলীগ কর্মী এবং শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ছিলেন। আর নিহত জুম্মান ছিলেন শরীফের বন্ধু। জুম্মন স্থানীয় একটি টুপি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।