Sunday 22nd of January 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

****তরুণীর মামলায় গ্রেফতার ক্রিকেটার আরাফাত সানি * শান্তি কামনায় শেষ হলো ৫২তম বিশ্ব ইজতেমা***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা-সাতক্ষীরা বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৭.০১.২০১৭

দুইশ’ ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা-সাতক্ষীরার ৫৮ কিলোমিটার বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

খুলনা জোনের আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথমানে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় এ সড়কটি নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে ওই প্রকল্পের প্রি-একনেক হয়েছে। এখন একনেকে অনুমোদন মিললেই ২০১৮ সালের গোড়ার দিকে মূল সড়ক নির্মাণ শুরু হবে। কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে ভোমরা বন্দর থেকে ঢাকা ও মংলা বন্দরে যাতায়াত দ্রুত ও সহজ হবে, দুর্ঘটনা কমে আসবে, শিল্প কারখানা সংখ্যা বৃদ্ধিসহ মানুষের জীবন যাত্রার মানও উন্নত হবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কটি বর্তমান বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। সড়কের বেশিরভাগ স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় খানা-খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় বিটুমিন উঠে গিয়ে ভয়াবহ অবস্থায় পরিণত হয়েছে। সড়ক বিভাগ সাময়িক মেরামতের চেষ্টা করলেও কার্যত ফল হচ্ছে না। যার ফলে ব্যস্ততম এই সড়কটিতে স্বাভাবিক যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। ঝুঁকি নিয়ে সড়কটি ব্যবহার করতে হচ্ছে গাড়ির চালক ও সাধারণ যাত্রীদের। প্রায় ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

অপরদিকে, বিভিন্ন মহল থেকেও দাবি উঠেছে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জন্য। এ অবস্থায় সড়কটিতে গাড়ি যাতায়াত স্বাভাবিক রাখতে ৫৮ কিলোমিটার বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। খুলনা বিভাগের গুচ্ছ প্রকল্পের আওতায় এ সড়কটি নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজল (ডিপিপি) মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রি-একনেক হয়েছে। এখন একনেকে চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই আগামী ২০১৮ সালের গোড়ার দিকে মূল সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

জানা গেছে, প্রকল্পে রয়েছে ৭.৩ মিটার সড়ক প্রশস্তকরণ, দু’পাশে ১.৫ মিটার সোল্ডার ও সড়ক পুনঃনির্মাণ ইত্যাদি। খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ মামুন কায়ছার সময়ের খবরকে বলেন, জন ভোগান্তির কথা চিন্তা করে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। প্রকল্পটির কিছুদিন আগে প্রি-একনেক হয়েছে। আর মাত্র দুই মাসের মধেই একনেকে চূড়ান্ত অনুমোদন মিলবে। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে ভোমরা বন্দর থেকে ঢাকা ও মংলা বন্দরে যাতায়াত দ্রুত ও সহজ হবে, দুর্ঘটনা কমে আসবে, শিল্প কারখানা সংখ্যা বৃদ্ধিসহ মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নত হবে।