Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Premier Bank Ltd

জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ ২৯.০৭.২০১৫

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম বলেছেন, ফেসবুক হ্যাকার মাহমুদুল হাসান (২০) ফিশিং, কি-লগার প্রোগ্রাম ও সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন নারীর ফেসবুক আইডি হ্যাক করত।

এরপর হ্যাক করা এ্যাকাউন্ট থেকে একান্ত ব্যক্তিগত ছবি ও তথ্য নিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে অশালীন প্রস্তাব দেওয়াসহ নানা ধরনের ব্লাকমেইল করত। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব তথ্য জানান। সম্প্রতি এক মেয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন ডিএমপির এই যুগ্ম কমিশনার। এর আগে, রাজধানীর মেরুল বাড্ডা এলাকা থেকে ফেসবুক হ্যাকার মাহমুদুল হাসানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তার কাছে থেকে একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল সেট জব্দ করা হয। মনিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার মাহমুদুল জানায়, সে ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্র। তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে অভিজ্ঞ মাহমুদুল হাসান, ফিশিং, কি-লগার প্রোগ্রাম ও সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করে থাকে। মনিরুল ইসলাম আরও জানান, ফিশিং পদ্ধতিতে হ্যাকার মাহমুদুল নারীদের আইডি টার্গেট করে তাদের ওয়ালে বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন দিত। পরে কেউ ওই লিংকে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গে হ্যাকার ওই আইডির পাসওয়ার্ডসহ সব তথ্য পেয়ে যেত। কি-লগার সম্পর্কে মনিরুল বলেন, এ পদ্ধতিতে মাহমুদুল টার্গেট করা নারীদের ওয়ালে বিভিন্ন লিংক পাঠাত। এ সব লিংকে ক্লিক করলে পুনরায় ফেইসবুক আইডি ও পাসওয়ার্ড প্রেস করতে বলা হত। যারা সরল বিশ্বাসে আইডি ও পাসওয়ার্ড প্রেস করত তাদের পাসওয়ার্ডও ওই হ্যাকার পেয়ে যেত। এ ছাড়া সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেও আইডি হ্যাকড করে আসছিল মাহমুদুল। হ্যাকার মাহমুদুল একটি একাউন্ট হ্যাকড  করার পর ওই আইডির লিস্টে থাকা বন্ধুদের বাছাই করে তাদের একাউন্টও