Monday 20th of February 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

***আবুধাবিতে যাত্রাবিরতি শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী * খালেদার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল ১৯ মার্চ * শেরেবাংলা নগর থানার নাশকতার মামলায় বিএনপি নেতা বরকত উল্লাহ বুলুসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | ১৬.০৪.২০১৬

বাগেরহাটে বর্ষবরণের উৎসবে পান্তা-ইলিশ খেয়ে চেয়ারম্যান, ডাক্তার, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ অর্ধশত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

এর মধ্যে গুরুতর অসুস্থ ২৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কচুয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় লেডিস ক্লাবে খাবার খাওয়ার পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি অসুস্থরা জানান, বর্ষবরণের র‍্যালি  শেষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে লেডিস ক্লাবে পান্তা ইলিশসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে তারা বাড়ি ফিরে যান। পরে পেটে ব্যথা, বমি ও পাতলা পায়খানা শুরু হয় তাদের। ক্রমান্বয়ে অসুস্থতার মাত্রা বাড়তে থাকে। পরে হাসপাতালে এসে ভর্তি হন। উপজেলা প্রশাসনের এই পান্তা-ইলিশের আয়োজনে আরও ছিল ডাল, আলু ভর্তা, চিংড়ি ভর্তা, বেগুন ভাজা। কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া সমস্যাজনিত কারণে ২২ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম বলেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যারাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২২ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল থেকে তাদের সব ধরনের সেবা দেয়া হচ্ছে। এদিকে এ ঘটনা তদন্তে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে প্রাণি ও পশুসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার দেবেন্দ্রনাথ সরকারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার তাপস কুমার দাস ও কৃষি কর্মকর্ত স্বাসতী এদাবর। কমিটি আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর ইলিশ বর্জনের আহ্বান উপেক্ষা করে বর্ষবরণের উৎসবে পান্তার সঙ্গে ইলিশের আয়োজন করায় অনেকেই প্রশাসনের ওপর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।তারা পান্তা উৎসবে ইলিশ যুক্ত হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং গণভবনে পান্তার সঙ্গে ইলিশ বর্জন করেন। সেখানে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মাহবুবুর রশিদ কার ইশারায় বর্ষবরণের উৎসবে পান্তা-ইলিশে মেতে ওঠেন। কচুয়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাহী কর্মকর্তার আমন্ত্রণে বর্ষবরণ উৎসবে যোগ দিলেও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পান্তার সঙ্গে ইলিশ বর্জন করেছি।