আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন * শোকের দিনে খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন চলতে থাকলে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা নয়: কাদের * মৌলভীবাজারের রাজনগরে যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষীর ওপর হামলার অভিযোগ * গাজীপুরের টঙ্গীর রাস্তায় দুইজনের লাশ; পুলিশের ধারণা, তারা গাড়িচাপায় নিহত হয়েছে * ঢাকার পান্থপথে একটি আবাসিক হোটেলে পুলিশের অভিযানে সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত * আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে ওই ‘জঙ্গি’সুইসাইড ভেস্টে বিস্ফোরণ ঘটায়: পুলিশ * নিহত যুবক খুলনা বিএল কলেজের ছাত্র, বাড়ি ডুমুরিয়ায়; পুলিশ বলছে, সে নব্য জেএমবির সদস্য

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

পায়ে শেকল বাঁধা অবস্থায় মাদ্রাসাছাত্রকে উদ্ধার

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৯.০৪.২০১৬

শিক্ষায় অমনোযোগী হওয়া ও বারবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পালানোর কারণে আবু জার (১২) নামের এক শিশুকে পায়ে শেকল পরিয়ে তার বাবা মাদ্রাসায় থাকতে বাধ্য করেন।

বন্দিদশা থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় শেকল পরা অবস্থায় গতকাল সোমবার বিকেলে শিশুটিকে উদ্ধার করে মাগুরা মডেল থানা পুলিশ।

শিশুটির বাড়ি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ইন্দ্রা গ্রামে। তার বাবার নাম আবদুল আলীম।

আবদুল আলীম মুঠোফোনে জানান, পাঁচ বছর আগে বাঘারপাড়ার দরিলাপুর মাদ্রাসায় হাফেজি শিক্ষা গ্রহণের জন্য আবু জারকে ভর্তি করা হয়। কিন্তু সে পড়াশোনায় মনোযোগী না হয়ে বারবার মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়ি এবং আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে চলে যায়। গত শুক্রবার বাধ্য হয়ে তার পায়ে শেকলের সঙ্গে ভারী কাঠ ঝুলিয়ে মাদ্রাসায় রেখে যান তিনি।

কিন্তু ওই শিক্ষার্থী বন্দিদশা থেকে রক্ষা পেতে রোববার রাতে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে মাগুরা চলে আসে। ভারী কাঠসহ শেকল বাঁধা অবস্থায় মাগুরা শহরের ভায়নার মোড় এলাকায় শিশুটি পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে শেকল থেকে মুক্ত করে। এর পর রাতে মাগুরা সদর থানার পুলিশ তাকে বাড়িতে পাঠিয়েছে।

মাদ্রাসা থেকে পালানোর বিষয়ে জানতে চাইলে শিশু আবু জার এনটিভিকে বলে, ‘আমারে মাদ্রাসায় পড়ানোর জন্যি পাঠাইসে। তা আমারে শিকল দিয়া থুয়া দিসে। আমি চইলে আইসি পালায়া।’

মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজমল হুদা বলেন, ‘মাদ্রাসার একটি শিশুকে শিকল দিয়ে বেঁধে তাকে পড়তে বাধ্য করা হতো। সে অবস্থা থেকে পালিয়ে ফরিদপুর যাওয়ার পথে মাছরাঙা টিভির সাংবাদিক বাশার সাহেব জানতে পেরে থানায় খবর দিলে আমরা শিশুটিকে উদ্ধার করি।’

‘শিশুটির পায়ে শিকল বাঁধা ছিল এবং তার মাধ্যমে যেটা জানতে পেরেছি যে, সে যাতে পালিয়ে যেতে না পারে, এ কারণে তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে তাকে বাধ্য করা হতো পড়তে, থাকতে এবং তার ওপরে মাঝেমধ্যে নির্যাতনও করা হতো।’