আজ মঙ্গলবার, ৩০ মে, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হল আলোচিত ভাস্কর্যটি * মধ্যরাতে ভাস্কর্য অপসারণের কাজ চলার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের সামনে বিক্ষোভ * ‘চাপে পড়ে’ ভাস্কর্যটি সরানোর কথা বললেন ভাস্কর মৃণাল হক; তবে কার চাপ, তা বলেননি তিনি * খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদককে গুলি চালিয়ে হত্যা, গুলিতে তার সহকারীও নিহত * সরকার বিরোধী নেতা-কর্মীদের হত্যার মিশনে, বললেন খালেদা জিয়া * মাগুরায় জেলা প্রশাসককে ঘুষ দিতে গিয়ে ৫ লাখ টাকাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

শিলাবৃষ্টিতে ছয় হাজার হেক্টরের বোরোর ক্ষতি

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ৩০.০৪.২০১৬

যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের কৃষক জোবায়ের হোসেন গতবার প্রায় দুই বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করে ধান পেয়েছিলেন ৩০ মণ।

এবার একই পরিমাণ জমি থেকে ধান পেয়েছেন ১৫ মণ। ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে তাঁর ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ৬ এপ্রিল রাতে অভয়নগর উপজেলার ওপর দিয়ে শিলাবৃষ্টিসহ কালবৈশাখী বয়ে যায়। এতে জোবায়ের হোসেনের মতো উপজেলার বেশির ভাগ বোরোচাষি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এর পরিমাণ বোঝা যায়নি। এখন ধান কেটে মাড়াই করার সময় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলায় এবার ১৪ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ছয় হাজার হেক্টর জমির বোরো ধানের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাঘুটিয়া, শ্রীধরপুর, শুভরাড়া ও প্রেমবাগ ইউনিয়নের বোরোখেত। মধ্যপুর গ্রামের ইমারুল ইসলাম বলেন, ‘গত বছর চার বিঘা জমিতে বোরো ধান লাগিয়ে প্রায় ১০০ মণের মতো ধান পেয়েছিলাম। এবারও একই পরিমাণ জমিতে ধান লাগিয়েছি। ধান কাটা শেষ। ৫২ শতক জমির ধান মাড়াই করে ১৭ মণ ধান পেয়েছি। সব মিলিয়ে ৭০ থেকে ৭৫ মণ ধান হতে পারে।’ বাঘুটিয়া গ্রামের কৃষক মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘ঝড়ে আমার ১০ বিঘা জমির ধানগাছ মাটিতে পড়ে যায়। শিলার আঘাতে শিষ থেকে প্রচুর পরিমাণে ধান ঝরে খেতে পড়ে। ধান মাড়াইয়ের কাজ শুরু করেছি। গত বছরের চেয়ে এবার ফলন অনেক কম হবে।’ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সামদানী বলেন, ‘শিলাবৃষ্টিতে উপজেলার অনেক এলাকায় বোরো ধানের বেশ ক্ষতি হয়েছে। শিষ থেকে ধান ঝরে গেছে। অনেক জায়গায় ঝড় হলেও শিলাবৃষ্টি হয়নি। ওই সব এলাকায় ধানের ক্ষতি কম হয়েছে। এ ছাড়া আবহাওয়াজনিত কারণে এবার উপজেলায় হেক্টরপ্রতি গড়ে ৩৫ কেজি করে ধান কম হচ্ছে।’