Print

ছুটি শেষ, সবিচালয়ে ঈদের আমেজ

জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ  ২৭.০৯.২০১৫

পবিত্র ঈদুল আজহার ৩ দিন ছুটি শেষে আজ খুলছে সরকারি অফিস।

তবে, আজ রবিবার অফিস খুললেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি খুবই কম। শতকরা দশ ভাগের বেশি হবে না। অফিসে আসেননি অনেক মন্ত্রীরাও। তাই বলায় যায়, অফিস খুললেও সচিবালয় একদম ফাঁকা। তবে যারা এসেছেন তারা প্রথম সাক্ষাতে কোলাকুলি, এরপর কুশল বিনিময়, কে কোন পশু কুরবানি দিলেন- সেসব আলাপ সেরে নিচ্ছেন সহকর্মীদের সঙ্গে। অনেকের গায়েই ঈদের পোশাক। কোন কোন কক্ষে মিষ্টিমুখ চলছে।

সচরাচর সকাল ৯টার দিকে বিআরটিসির বাসবোঝাই হয়ে আসেন কর্মকর্তা-কর্মচারিরা। বড় কর্মকর্তাদের অনেকেই অন্য গাড়িতে। সবাই সিকিউরিটি চেক পার করে হুড়োহুড়ি করে যার যার অফিসে ছোটেন। কিন্তু রবিবার সকালে সে চিত্র নেই। প্রবেশপথের দীর্ঘসারিও নেই। ঈদের আমেজ বইছে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোতে। ছুটি কাটিয়ে কর্মকর্তারা অনেকেই ফেরেননি। ঢোকার পথ শুধু নয়, গাড়ি রাখার জায়গাগুলো, লিফটের সামনের চিত্র একদমই অচেনা। কোন ভিড় নেই কোথাও। উঁকি-ঝুঁকিতে দেখা যায়, অধিকাংশ চেয়ার ফাঁকা।

পৌনে ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আসেন মন্ত্রণালয়ে। কাছাকাছি সময়ে আসেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেননও। শিক্ষামন্ত্রীর কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারিরা মিষ্টিমুখ করছেন। কোলাকুলি করছেন মন্ত্রীর সঙ্গে। নাহিদও সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন। আলাপে জানালেন, প্রতিবারের মতোই কাজ করেছেন ঈদের ছুটিতেও। এবার ঈদের রোদেলা আবহাওয়া মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে দিয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

নাহিদ বলেন, এবার মনে হয়েছে বেশ অর্গানাইজড ছিল সবকিছু। নামাজ, পশু কুরবানি, বেড়ানো- আবহাওয়া অনকূলে থাকায় সবই ভালোভাবে করতে পেরেছেন সবাই। যানবাহনের কিছুটা সংকট ছিল, তবে সেটি অসহনীয় ছিল না- বলেন তিনি। এদিকে রাশেদ খান মেননও সকাল থেকেই কাজ করছেন বলে জানান। বললেন, র‌্যালি নিয়ে বের হয়েছিলাম পর্যটন বর্ষের। এবার সিটি কর্পোরেশন অনেক গুছিয়ে কাজ করেছে- প্রশংসা তার মুখে।

সাংবাদিকদের আনাগোনা প্রতিদিনের মতো না হলেও কেউ কেউ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আসতে শুরু করেন। ঈদের পরের চিত্র তুলে ধরাই এদিনের অ্যাসাইনমেন্ট অধিকাংশের। তবে গণমাধ্যম কেন্দ্র ও ক্যান্টিন তালাবন্ধ পাওয়া যায়। অবশ্য প্রতি ঈদের পরে প্রথম সপ্তাহে সচিবালয়ে এমন ঢিলেঢালা ভাবই থাকে বলে জানান এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা।