Thursday 27th of April 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

৯ জুলাই বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান * মুক্তিযোদ্ধারা পাচ্ছেন ৫ বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা * আত্মহত্যা করলেন সাবেক রঞ্জি ক্রিকেটার * পরিবর্তন আসছে কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়ায় * ৪ মে এসএসসির ফল প্রকাশ * মোহাম্মদপুরে গলিত লাশ উদ্ধার * এবার ফেসবুক লাইভে বাবার হাতে মেয়ে খুন * উপকূলে মার্কিন সাবমেরিন, লাইভ ফায়ার চালাচ্ছে উ.কোরিয়া * ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ফাইলেরিয়া মুক্ত রাষ্ট্র হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

কপোতাক্ষ নদের বাঁধ ভেঙে ছয় গ্রাম প্লাবিত

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৯.০৫.২০১৬

প্রবল জোয়ারের চাপে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কোলায় কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধ ভেঙে ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এতে প্রায় এক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দেড় হাজার বিঘার মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি তলিয়ে গেছে।রবিবার দুপুরে আবারও উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কোলা গ্রামের ৪নং পোল্ডারের কাছে কপোতাক্ষ নদের প্রায় ২০০ ফুট বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে প্রতাপনগর ইউনিয়নের কোলা, হিজলিয়া ও শ্রীউলা ইউনিয়নের মাড়িয়ালা, হাজরাখালি, লাঙ্গলদাড়ি ও কলিামাখালি গ্রাম প্লাবিত হয়। স্থানীয় আব্দুর রাজ্জাক, সঞ্জয় দাশ, জহুরুল ইসলাম ও ছাইফুল্লাহসহ একাধিক গ্রামবাসী জানান, বাঁধটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ভোর রাতে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে হঠাৎ করেই বাঁধ ধসে পড়ে।

তারা আরও জানান, শনিবার রাতে ভেঙে যাওয়ার পর সকাল থেকে স্থানীয় দুই ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এলাকার লোকজন বাঁশ ও মাটি দিয়ে বেড়িবাঁধটি সংস্কারের করে। দুপুরে আবারও তা ভেঙে গিয়ে গ্রামে পানি প্রবেশ করে।প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলাতির কারণেই প্রতাপনগর ইউনিয়নবাসীর এই দুর্দশা। বারবার বলার পরও পানি উন্নয়ন বোর্ড ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি।শ্রীউলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল জানান, প্রতাপনাগর ইউনিয়নের চেয়ে শ্রীউলা ইউনিয়ন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে ভেঙে যায় স্থানীয়দের নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধটি ঠিক করলেও সেটি দুপুরে আবারও ভেঙে যায়। সোমবার সকালে আবারও স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে।বাঁধটি দ্রুত সংস্কার করতে না পারলে পুইজালা, শ্রীউলা, আশাশুনি সদর ও নাকতাড়া গ্রাম প্লাবিত হবে।তিনি আরও বলেন, ‘ত্রাণ দরকার নেই। দ্রুত বাঁধ সংস্কার করা দরকার।’আশাশুনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস ও আবুল হোসেন জানান, তিনি ঘটনা স্থলে আছেন। তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসার পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।