Print

অভিযোগ প্রমাণিত, তাও ধর্মঘট!

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৬.০৫.২০১৬

অনুমোদন ছাড়া চেতনানাশক বেশ কিছু ওষুধ ছিল ওই বেসরকারি হাসপাতালে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে এসব ধরা পড়ে।

আর প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপককে যেতে হয় হাজতে। গত শনিবার জয়পুরহাটে এ ঘটনা ঘটে। 

আর এ আটকের প্রতিবাদ জানিয়েছে বেসরকারি ক্লিনিকের মালিকদের সংগঠন জয়পুরহাট বেসরকারি ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক সমিতি। রোগীদের জিম্মি করে আজ সোমবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ল্যাব ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ধর্মঘটের ডাক দেয় সংগঠনটি। ধর্মঘটের কারণে সারাদিন রোগী ও রোগীর স্বজনরা ব্যাপক দুর্ভোগের শিকার হয়েছে। জয়পুরহাট বেসরকারি ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক সমিতির আহ্বায়ক ডা. রফিকুল ইসলাম পদ্ম জানান, গত শনিবার রাতে ইমু জেনারেল হাসপাতাল নামের  শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অনুমোদন ছাড়া চেতনানাশকসহ (প্যাথেড্রিন) কিছু ওষুধ রাখার অভিযোগে ওই ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মুকুল হোসেনকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে মুকুলকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এরই প্রতিবাদে আজ সোমবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলার সব বেসরকারি ক্লিনিক, ল্যাব ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ রেখে ১৪ ঘণ্টা ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে।  

যোগাযোগ করা হলে জেলা সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন হাওলাদার এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।