Print

জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ ৩০.০৭.২০১৫

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও প্রকল্পের নিয়মিত মনিটরিং ও মূল্যায়নের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, নিয়মিত মনিটরিংয়ে কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে।

তিনি বলেন, ‘মনিটরিং মানেই শুধু দোষ ধরা নয়, কাজে সহায়তা করা।’ মন্ত্রী আজ স্থানীয় সরকার বিভাগের ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় বক্তৃতা করছিলেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে এলজিআরডি মন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিব আবদুল মালেকের সঞ্চালনায় স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন সংস্থাগুলোর প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশের সব জায়গায় কনক্রিটের সড়ক তৈরি সম্ভব নয়। এ ছাড়া কনক্রিটের তৈরী সড়কের চেয়ে পিচের তৈরী সড়কে খরচ অনেক কম। সিমেন্ট দিয়ে রাস্তা তৈরির জন্য বাংলাদেশের মাটি উপযোগী না, এ সঠিক তথ্যটি তুলে ধরতে তিনি প্রকৌশলীদের আহবান জানান। পুরো সভাটিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। শুরুতেই মন্ত্রী এলজিইডি দপ্তরের সঙ্গে সভা করেন। পরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ওয়াসা, সিটি কর্পোরেশন এবং জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন প্রকল্পের মহা-পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। বৈঠকের শুরুতে এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ অধিকারী তার অধিদপ্তরের আওতাধীন ১১০টি প্রকল্পের তথ্য তুলে ধরে বলেন, এসব প্রকল্পের মধ্যে চলমান প্রকল্পের সংখ্যা ১০১টি। মন্ত্রী প্রকল্পের সংখ্যা কমিয়ে আনা যায় কিনা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভেবে দেখার নির্দেশ দেন। ভূ-গর্ভস্থ্য পানির উপর নির্ভশীলতা কমিয়ে পুকুর জলাশয়ের পানি ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ভূ-গর্ভে পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় ভবিষ্যতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে এখনি আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। সভায় ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন। মন্ত্রী প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি বাস্তবায়ন তরান্বিত করার লক্ষ্যে তদারকি বৃদ্ধির জন্য মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দেন। পরে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও তাদের প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন। এছাড়া জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রকল্পের অগ্রগতিও সভায় আলোচনা হয়। এলজিআরডি মন্ত্রী যতদ্রুত সম্ভব এই প্রকল্পের মহা-পরিচালককে নিজস্ব তথ্য-ভান্ডার স্থাপনের উদ্যোগ নিতেও নির্দেশ দেন।