Print

কারাভোগ শেষে ৬ বাংলাদেশি শিশু-কিশোরকে ফেরত দিল ভারত

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৩.০৫.২০১৬

অবৈধপথে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে এক থেকে দেড় বছর মেয়াদে ভারতের বালুরঘাটে ‘শোভায়ন হোম’নামের শিশু সংশোধনাগারে আটক থাকার পর ৬ বাংলাদেশি শিশু ও কিশোরকে ফেরত দিয়েছে ভারত।

ফেরত আসা শিশু ও কিশোররা হলো- দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার পাঁচপীর গ্রামের মৃত ধলু মিয়ার ছেলে নইম আলী (১০), একই জেলার পার্বতীপুর উপজেলার গুলশাননগর গ্রামের জিয়ার ছেলে কালু নাসিম (১৫), একই উপজেলার রোস্তমনগর গ্রামের দেলোয়ার চকদারের ছেলে রাসেল চকদার (১৩), মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার পূর্ব মহেন্দ্রী গ্রামের রেজাউল ব্যাপারীর ছেলে নান্নু ব্যাপারী (১৪), শরিয়তপুর জেলার সখিপুর উপজেলার চনপাইতলী গ্রামের বোরহান শিকদারের ছেলে হাসিবুল হাসান (১৫), ঠাকুরগাঁও জেলা সদরের গড়েয়া গ্রামের বিশুরাম মাড্ডির ছেলে কমল মাড্ডি (১৪)।এরা ১০ থেকে ১৬ মাস মেয়াদে আটক ছিলেন। আজ সোমবার সকাল ১১টায় হিলি সীমান্তের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট গেট দিয়ে ভারতের হিলি অভিবাসন কেন্দ্রের ওসি মো. নাজির হোসেন ওই ৬ শিশু ও কিশোরকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি মো. রফিকুজ্জামানের হাতে তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবি হিলি চেকপোস্ট কমান্ডার হাবিলদার আবু হানিফ ও বিএসএফের হিলি ক্যাম্প কমান্ডার এসকে রাথোড, জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের বাংলাদেশ প্রতিনিধি আতিক হাসান। ভারত ও বাংলাদেশের ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামে এক সংগঠনের উদ্যোগে ও ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে শিশু ও কিশোরগুদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এ ব্যাপারে ভারতের বালুরঘাট শোভায়ন হোমের কো-অর্ডিনেটর সুরুজ দাস জানান, ওই শিশু ও কিশোরগুলো বিভিন্ন সময়ে ভারতে বেড়ানোর উদ্দেশে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছিল। এরপর তারা সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের হাতে বালুরঘাট ও তিরমনি নামক স্থানে আটক হয়। অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাদের আদালত থেকে বালুরঘাট শোভায়োন হোম নামের শিশু শোধনাগারে পাঠানো হয়। এখানে তারা ১০ মাস থেকে ১৬ মাস মেয়াদে আটক ছিলেন। পরে ভারত ও বাংলাদেশের হাইকমিশনের মাধ্যমে তাদের ট্রাভেল পারমিট পাওয়ায় আজ সোমবার শিশু ও কিশোরদের ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুজ্জামান জানান, অনুপ্রবেশের দায়ে আটক বাংলাদেশি ৬ শিশু ও কিশোরকে ভারতের হিলি অভিবাসন পুলিশ আমাদের কাছে ফেরত দিয়েছে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশু ও কিশোরদের তাদের অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।