আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ মে, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে সফরের আমন্ত্রণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর * সাত দফা দাবিতে উত্তরবঙ্গে পণ্যবাহী যানবাহনের ধর্মঘট আরও ২৪ ঘণ্টা বাড়ছে * যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় বাস্তুহারা লীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, একজন আটক * সিনেটের ৩৫ জন শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা * সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের থাবায় মৌয়ালের মৃত্যু * সৌদি আরবে শেখ হাসিনা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময়

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

নীলফামারীতে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী কারাগারে

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১১.০৫.২০১৬

নীলফামারীর কামারপুকুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিকো আহমেদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় নীলফামারীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আকরাম হোসেন এই আদেশ দেন। এক সদস্যকে মারধর ও চাঁদাবাজির মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত জিকো আহমেদ সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ৬ষ্ঠ ধাপে ইউপি নির্বাচনের আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী।
মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৪ সালে ১২ অক্টোবর সকালে কাপ্তাই সেনানিবাসের ওয়ারেন্ট অফিসার মফিজুর রহমান বদলি হয়ে সৈয়দপুর সেনানিবাসের সদর দফতরের ২২২ পদাতিক ব্রিগেড যোগদানের জন্য আসেন। সকালে বাস থেকে নেমে মালামালের জন্য পার্সেল অফিসের সামনে অপেক্ষা করছিলেন। সেই সময় সাময়িক বিশ্রামের জন্য তিনি ইউপি চেয়ারম্যান জিকো আহমেদের সৈয়দপুর রেস্ট হাউসের একটি কক্ষ ভাড়া নেন। এই সময় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৮/১০ জনের একটি দল পর্যায়ক্রমে সেনা সদস্যের কক্ষে গিয়ে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছে থাকা ৮ হাজার ৭শ’ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে মারধর করে । ওই সময় মফিজুর নিজেকে সেনা সদস্য পরিচয় দিয়েও রক্ষা পাননি।
পরে খবর পেয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশ এসে সেনা সদস্যকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। এরপর তাকে সৈয়দপুর সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় সেনা সদস্য মফিজুর বাদী হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে সৈয়দপুর থানায় একটি মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে ইউপি চেয়ারম্যান জিকো আহমেদ পলাতক থাকলেও মামলার অন্য আসামিরা জামিনে আছেন।এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সৈয়দপুর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল আউয়াল ২০১৪ সালের ৩ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।