Print

সিলেটে ভোটকেন্দ্রে হামলা, ব্যালট ছিনতাই-সংঘর্ষ

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ২২.০৩.২০১৬

বিক্ষিপ্ত সংঘাত-সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া সিলেট সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ভোটগণনা শুরু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়নের ৯৫টি কেন্দ্রের ৬০৪টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে সংঘাত-সংঘর্ষের কারণে টুকেরাবাজারের আখালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়।

এবার সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়নের দুই লাখ সাত হাজার ৩৭০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ভোট গ্রহণ শেষে এখন বিভিন্ন কেন্দ্রে চলছে গণনার কাজ। আজ সদর উপজেলার জালালাবাদ, হাটখোলা, খাদিমনগর, খাদিমপাড়া, টুলটিকর, টুকেরবাজার, মোগলগাঁও এবং কান্দিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সিলেট জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম জানান, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে টুকেরবাজার ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড আখালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রটি স্থগিত করা হয়।

এর আগে, এই কেন্দ্রে ককটেল হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা এ হামলার ঘটনায় জড়িত বলে দাবি করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। 

এ বিষয়ে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শহিদ আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে ককটেল হামলা ও কেন্দ্রে প্রবেশ করে জাল ভোট দেওয়া হয়। এতে আতঙ্কিত হয়ে ভোটাররা কেন্দ্রে আসনেনি। প্রায় দেড় ঘণ্টার মতো ফাঁকা ছিল কেন্দ্রটি। ফলে তিনি ভোটগ্রহণ স্থগিতের দাবি জানান। 

পরে কেন্দ্রটির ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

বিকেল ৩ টার দিকে একই ইউনিয়নের শেখপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের সময় মোস্তাক নামের একজনকে আটক করে পুলিশ। এ ছাড়া জাল ভোট দেওয়ার সময় টুলটিকর ইউনিয়নের বাগমারা সেন্টারে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ধরা পড়েন এক যুবক।

এদিকে, সিলেট সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরে বিজিবি গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ছাড়া, সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের ছামাউরাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নিজাম উদ্দিন ও বিএনপি প্রার্থী আহমদ আলীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ভোটকেন্দ্রে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বেলা দেড়টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।