Wednesday 7th of December 2016

সদ্য প্রাপ্তঃ

***সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী হত্যাচেষ্টা মামলায় মুফতি আবদুল হান্নানসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

UCB Debit Credit Card

বর্জ্য অপসারণে নেই সিলেটবাসীর উদ্যোগ

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | ২৮.০৩.২০১৬

সিলেট নগরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সুরমা নদী পারাপারের জন্য আটটি খেয়াঘাট রয়েছে।

এর একটি হচ্ছে নগরের মাছিমপুর অংশে। কিন্তু দিনের পর দিন সে ঘাটে স্থানীয় লোকজন ময়লা-আবর্জনা ফেলায় ঘাটটি রীতিমতো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্জ্য পচে-গলে সারাক্ষণ দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এ কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
ঘাট-লাগোয়া নদীতীরের স্থানীয় ছয়জনের অভিযোগ, ঘাটের পাশেই সবজি, মাছ ও রকমারি দ্রব্যের একটি হাট রয়েছে। সেখানকার ব্যবসায়ীরা তাঁদের উচ্ছিষ্ট ও পরিত্যক্ত ময়লা-আবর্জনা নদীতীরে ফেলছেন। এমনকি পাশের বাসিন্দারাও দিন-রাত আবর্জনা ফেলে নদীদূষণ করছেন। তবে সিটি করপোরেশন এসব বন্ধে কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখছে না।
গতকাল রোববার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘাটের সিঁড়ির শুরু থেকেই ময়লা-আবর্জনার স্তূপ তৈরি হয়েছে। কলার কাঁদি, পচে যাওয়া সবজি, রেস্তোরাঁর উচ্ছিষ্ট খাবার, বোতল, পলিথিন ও প্লাস্টিকজাত দ্রব্য, পরিত্যক্ত নানা সামগ্রী স্তূপের মধ্যে রয়েছে। এসব আবর্জনা গড়িয়ে নদীর পানিতে গিয়ে মিশছে। মশা-মাছি উড়ছে।
মাছিমপুর এলাকার বাসিন্দা খায়রুল মিয়া বলেন, সিঁড়ির দুই পাশের আবর্জনা ঠেলে নদী ব্যবহারকারীদের ওঠানামা করতে হয়। বিশ্রী দুর্গন্ধে নাক চেপে চলাচল করতে হয়। আর পাশের পাড়া-মহল্লার নারীরা ময়লার মিশ্রণযুক্ত নদীর ওই পানি ব্যবহার করায় প্রায়ই পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
গৃহিণী আকবুরুন্নেসা বলেন, নদীতীরে যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ করায় এখানকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। নদীতীরের সৌন্দর্যও এতে বিনষ্ট হচ্ছে।
নাগরিক মৈত্রী সিলেটের আহ্বায়ক সমরবিজয় সী শেখর বলেন, স্থানীয়দের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে সিটি করপোরেশনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব প্রথম আলোকে বলেন, সুরমা নদীর মাছিমপুর অংশে বর্জ্য ফেলে নদী দূষণ করার বিষয়টি দ্রুততার সঙ্গে খোঁজ নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ যেন ভবিষ্যতে সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে, সে জন্য একটি সতর্কতা-সংবলিত সাইনবোর্ডও প্রয়োজনে সাঁটিয়ে দেওয়া হবে।