Saturday 3rd of December 2016

সদ্য প্রাপ্তঃ

***প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পর উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ট্যাংক-লরি-ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিকদের ডাকা ধর্মঘট স্থগিত***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

UCB Debit Credit Card

সিলেটে অনাবাদি থাকবে না জমি

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | ৩০.০৩.২০১৬

সিলেটে অনাবাদি ২৫ হাজার ১শ’ ৯৬ হেক্টর জমি চাষাবাদের আওতায় আনা হচ্ছে।

৩৯টি উপজেলা থেকে ১টি করে ইউনিয়ন পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে এসব জমিতে চাষাবাদের উদ্যোগ গ্রহণ করছে সরকার। বুধবার (৩০ মার্চ) বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করে এমন তথ্য দেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার জামাল উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, সিলেট অঞ্চলে প্রচুর অনাবাদি জমি রয়েছে। ২০১৫ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে সোস্যাল মিডিয়া আড্ডায় এসব জমি আবাদের বিষয় তুলে ধরা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তিনটি কোর কমিটির মাধ্যমে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে বলে জানান বিভাগীয় কমিশনার।

এ উদ্যোগে সরকারের খাদ্য ভাণ্ডার স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি কৃষকরাও লাভবান হবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সিলেট বিভাগীয় কৃষি উন্নয়ন কোর কমিটি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রজেক্টরের মাধ্যমে অনাবাদি জমি সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেন সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সিলেটের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষ্ণচন্দ্র হোড়।

এতে বলা হয়, বিভাগে মোট ফসলি জমি ৭ লাখ ৮৯ হাজার ১০৩ হেক্টর। এসব জমির মধ্যে রবি মৌসুমে পতিত থাকে ১ লাখ ৬৪ হাজার হেক্টর, খরিপ-১ মৌসুমে জমি পতিত থাকে ১ লাখ ৮১ হাজার ৭২৫ হেক্টর, খরিপ-২ মৌসুমে ৭১ হাজার ৫০১ হেক্টর জমি পতিত থাকে।

এসব জমি পতিত থাকার কারণগুলোও নির্ণয় করেছেন স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা। যার মধ্যে সেচের পানির অভাব, পাথর ও গ্যাসের কারণে সেচ যন্ত্র স্থাপনে সমস্যা, পানির স্তর গভীরে থাকা, বড় কৃষকদের চাষাবাদে অনিহা, জমির মালিক বিদেশে থাকা, জমি বর্গা দিতে অনীহা ও শ্রমিক সংকট।

তবে ‘সিলেটে কৃষি ভাবনা দিবানিশী’র মাধ্যমে এই সংকট কাটিয়ে উঠা সম্ভব। এক্ষেত্রে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর একাত্বতা ও সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে মনে করেন বক্তারা।

বিগত রবি মৌসুমের মতো চলতি খরিপ-১ মৌসুমে সিলেট বিভাগের চার জেলায় ৪৩ হাজার ২১১ জন কৃষক ও ১০ হাজার ৬শ’ ৬৮ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার এমডি আল আমিন, জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীনসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত বিভাগীয় কোর কমিটির নেতারা।