আজ বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় ১০ অক্টোবর * বন্যায় টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়কে ধস; উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেলযোগাযোগ বন্ধ * রাজারবাগে এক নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগে তার এক সহকর্মী গ্রেপ্তার * কোটালীপাড়ায় হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় * সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় ১০ অক্টোবর * বন্যায় টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়কে ধস; উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেলযোগাযোগ বন্ধ * রাজারবাগে এক নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগে তার এক সহকর্মী গ্রেপ্তার * কোটালীপাড়ায় হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

সুনামগঞ্জে পানিতে ডুবে দাদা-নাতির মৃত্যু

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৮.০৫.২০১৬

সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় পানিতে ডুবে দাদা-নাতির মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। আজ রোববার স্থানীয় হাওর থেকে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম কাপ্তান মিয়া (৭০) ও তাঁর নাতি রুহান মিয়া (৮)। রুহান মিয়া মিঠু মিয়ার ছেলে। তাদের বাড়ি উপজেলার পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের কাউজুরি গ্রামে। 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দাদা কাপ্তান মিয়া শনিবার সন্ধ্যার পর নাতি রুহান মিয়াকে নিয়ে গ্রামের কাছে হাওরের পাশের ডোবা পার হচ্ছিলেন। রাতে তাঁরা আর বাড়ি ফিরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায়নি। 

আজ বেলা ১১টায় গ্রামের পাশে হাওরে প্রথমে নাতি রুহানের লাশ ভাসতে দেখে গ্রামের লোকজন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় দাদা কাপ্তান মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়।  গ্রামবাসীর ধারণা, হাওরের কাছে খালের স্রোতে পানিতে ডুবে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। 

পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দাদা-নাতি দুজনই শনিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। আজ সকালে নাতি ও দুপুরে দাদার লাশ উদ্ধার করেছে গ্রামবাসী। গ্রামের লোকজন জানিয়েছে, সম্ভবত খালের স্রোতের পানিতে ডুবে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল আমিন বলেন, কাউয়াজুরি গ্রামের পানিতে ডুবে একই পরিবারের দাদা-নাতির মৃত্যু হয়েছে। যেহেতু তাঁদের মৃত্যু নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি তাই স্থানীয়ভাবে স্বজনরা দাফনের ব্যবস্থা করছে।