Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Bangadesh Manobadhikar Foundation

বিডিনিউজডেস্ক.কম| তারিখঃ ২৮.০২.২০১৯

চামড়া খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এ খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি কার্যকর গবেষণা পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছেন শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম।

তিনি বলেন, বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের চামড়া শিল্পকে কমপ্লায়েন্ট হতে হবে। এ লক্ষ্যে খাতসংশ্লিষ্ট শ্রমিক, কর্মচারী, টেকনিশিয়ান ও উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরামর্শ দেন তিনি।

শিল্প সচিব গতকাল ন্যাশনাল প্রডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) আয়োজিত ‘ট্যানারি ও লেদার শিল্প খাতে উৎপাদনশীলতা উন্নয়ন কৌশল’ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ে দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এনপিও পরিচালক এসএম আশরাফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াত উল্লাহ।

সচিব বলেন, বর্তমান সরকার উদীয়মান চামড়া শিল্প খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। এরই মধ্যে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ট্যানারি শ্রমিকদের পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতার অভাবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমস্যা হচ্ছে। তিনি ট্যানারি শ্রমিকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের পরামর্শ দেন। সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ শিল্প খাতে ব্যবহূত কাঁচামালের অপচয় হ্রাস করে উৎপাদিত পণ্যের দাম কমানো সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মো. আবদুল হালিম আরো বলেন, আধুনিক ব্যবস্থাপনায় বর্জ্যকে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারো কাছে যেটি বর্জ্য, অন্যের কাছে সেটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। ট্যানারি শিল্পসংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে শক্তিশালী সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ নিতে হবে। এর মাধ্যমে জিডিপিতে চামড়া শিল্প খাতের অবদান বর্তমানের দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২০২৫ সাল নাগাদ ২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশী চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চলছে উল্লেখ করে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কমপ্লায়েন্ট অনুসরণের মাধ্যমে এ ধরনের অপচেষ্টা রুখে দেয়ার তাগিদ দেন।