Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Bangadesh Manobadhikar Foundation

জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ ০৭.০৪.২০২১

দেশে করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের আদলে ঘোষিত সাত দিনের নিষেধাজ্ঞায় ঢিলেঢালা অবস্থা

কাটিয়ে কড়াকড়িভাবে তা কার্যকরের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছিল দুই দিন ধরে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞরা এই তাগিদ দিচ্ছিলেন। লোকজনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ নজরদারির পরামর্শ দেওয়া হচ্ছিল। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে সরকার হঠাৎ করেই আজ বুধবার থেকে উল্টো ঢাকাসহ সব মহানগরীর ভেতরে গণপরিবহন তথা বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অন্যদিকে প্রথম দিনের মতো গতকালও দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ঢিলেঢালা ভাব যাচ্ছে না। বাস বন্ধ থাকায় সড়কে চাপ ও মানুষের ভিড় অনেকাংশে কম ছিল, দোকানপাট বন্ধ থাকায় জনসমাগমও কিছুটা কম দেখা যায়। কিন্তু আজ থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক হলে সরকারের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি বা নিষেধাজ্ঞার ফল কী হবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। বিশেষজ্ঞরা এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানানোর জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের দেশে যে লকডাউন কার্যকর করা কঠিন, সেটা আবারও প্রমাণিত হচ্ছে। আমাদের এখন প্রয়োজন হলো পরিবহন, অফিস-আদালত বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করতে সরকারের তরফ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া। এ জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা দরকার হলে তাই করতে হবে। কারণ মানুষ মরবে আর আমরা তামাশা করব, সেটা হতে পারে না। পরিবহনের সংখ্যা বাড়াতে হবে এবং প্রতি পরিবহনে যাতে করে অর্ধেক যাত্রী চলাচল নিশ্চিত হয়, সেটা মনিটর করতে হবে। কেউ এর ব্যত্যয় ঘটালে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’

আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘মানুষকে কষ্ট দেওয়া লকডাউনের বা নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য নয়, মূল লক্ষ্য হচ্ছে সংক্রমণ ঠেকানো। সরকারের নির্দেশনা অনুসারে অফিসগুলো তাদের কর্মীদের জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা করতে পারেনি বলেই অফিসগামী কর্মীদের হয়রানি ও দুর্ভোগ হয়েছে, এখন পরিবহন চালু করা ছাড়া হয়তো সরকারের সামনে আর কিছু নেই। তাই সব কিছু সীমিত রেখেও যদি স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করা যায়, সেটাও সংক্রমণ রোধে ভূমিকা রাখবে। আর যদি দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি মানানো যাচ্ছে না কোনোভাবেই, তবে প্রয়োজনে সব কিছু বন্ধ করে দিতে হবে মানুষকে বাঁচানোর স্বার্থে।’ 

এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ঢাকা, চট্টগ্রাম মহানগরসহ গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকাধীন সড়কে আগামীকাল (আজ বুধবার) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অর্ধেক আসন খালি রেখে গণপরিবহন চলাচল করবে।’ তিনি গতকাল বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘লকডাউন পরিস্থিতিতে সরকারি-বেসরকারিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ও জনসাধারণের যাতায়াতে দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকার গণপরিবহনে চলাচলের বিষয়টি শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে পুনর্বিবেচনা করে অনুমোদন দিয়েছে।’

গণপরিবহন চালানোর প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রতি ট্রিপের শুরু ও শেষে জীবাণুনাশক দিয়ে গাড়ি জীবাণুমুক্ত এবং পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও যাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই সমন্বয়কৃত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না।’ তিনি বলেন, ‘পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দূরপাল্লায় গণপরিবহন চলাচল যথারীতি বন্ধ থাকবে। ৭ এপ্রিল বুধবার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত  বলবৎ থাকবে।’

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগরে চলাচলকারী প্রজাপতি পরিবহনের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মন্ত্রীর ঘোষণার পরপরই মালিকদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সরকারি নির্দেশনাও পাওয়া গেছে—আগের ১৮ দফা সুপারিশের সঙ্গে সংগতি রেখে অর্ধেক আসনে যাত্রী বহন, ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃৃদ্ধি এবং পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাস চালাতে হবে।’

এদিকে সরকার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে উদ্যোগ নিলে দেশের কয়েকটি জায়গায় বিক্ষোভ, গাড়ি ভাঙচুর, প্রশাসনের লোকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। এমন অবস্থায় সতর্কভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করছে মাঠ প্রশাসন। সরকারের কেন্দ্র থেকে দেশব্যাপী করোনাসংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা যাতে পালিত হয়, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা গেছে। পাশাপাশি প্রশাসনের কড়াকড়িতে সাধারণ মানুষ যাতে বিরক্ত না হয়, তাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। চারটি জেলার চারজন ডেপুটি কমিশনার (ডিসি), একাধিক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এবং কয়েকটি উপজেলার ইউএনওদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। ফরিদপুর, পটুয়াখালী, পঞ্চগড়সহ বেশ কয়েকটি জেলায় অফিসারদের ওপর লোকজনের চড়াও হওয়ার অভিযোগ জানা গেছে। অনেক জেলা-উপজেলায় নির্দেশনা ভেঙে বিক্ষোভও হয়েছে।

করোনাভাইরাসের বিস্তারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রাজধানী ঢাকা। নিষেধাজ্ঞা জারির পর ঢাকাতেই স্বাস্থ্যবিধি ভাঙার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। মার্কেট খুলে দেওয়ার দাবিতে নিউ মার্কেটসহ কয়েকটি এলাকায় গাড়ি ভাঙচুর করেছেন ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা। এমন অবস্থায় কড়া পদক্ষেপের উদ্যোগ নিতে পারছে না প্রশাসন। এসব বিষয়ে মাঠ প্রশাসন থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নালিশ জমা পড়ছে। মন্ত্রিপরিষদ থেকে পরিস্থিতি বুঝে ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ঢাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বড় আকারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে বলে ডিসি অফিসের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিন অর্থাৎ গত ৫ এপ্রিল ঢাকা সিটিতে ১৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকার পাঁচটি উপজেলায় আরো আটটি ভ্রাম্যমাণ আদালত চালানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবারও ঢাকায় ১৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা ডিসি অফিসের সিনিয়র সহকারী কমিশনার আবদুল আওয়াল।

ভোলা জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুজিত হাওলাদার গতকাল মঙ্গলবার বলেন, ‘জেলা সদরে প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছেন। আর উপজেলাগুলোতে অন্তত একটি করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার চেষ্টা করছি আমরা।’ তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার উদ্যোগ বেশি নেওয়া হচ্ছে। গত ১ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ভোলা জেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩৮০টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় আসামির সংখ্যা ৪১২ জন এবং জরিমানা করা হয়েছে এক লাখ ৪৬ হাজার ৬০০ টাকা। আর সচেতনতামূলক কার্যক্রম হিসেবে তিন হাজার মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা কার্যকরের বিষয়ে জানতে চাইলে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, গতবারের চেয়ে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। গত বছর এই সময়ে যে মেজাজে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে এবার সেটা হচ্ছে, করা সম্ভবও না। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ চলছে। উদাহরণ দিয়ে সিলেট বিভাগের একজন ডিসি বলেন, ‘করোনা নিয়ে অনেক ধরনের বিভ্রান্তি আছে। ঢাকার যে পরিস্থিতি, জেলা-উপজেলায় তেমন না। ফলে ঢাকার মেজাজে মফস্বলে উদ্যোগ নিলে হবে না। ঢাকায় রোগী ভর্তি করার জায়গা নেই। অন্যদিকে বেশির ভাগ জেলাতেই তেমন কভিড রোগী নেই। হাসপাতালের বেড খালি পড়ে আছে। অন্যদিকে ঢাকার বাইরে যেসব জেলায় কভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেশি, সেগুলোতে একটু বেশি কড়াকড়ি করার চেষ্টা করছেন প্রশাসনের নীতি-নির্ধারকরা। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেশি কড়াকড়ি যাতে মানুষকে খেপিয়ে না দেয়, সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে তরুণ ম্যাজিস্ট্রেটদের। গত বছর যশোরের মণিরামপুরে এক বৃদ্ধকে কান ধরানো নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা সইতে হয়েছে পুরো প্রশাসনকে। এবারও ফরিদপুরের সালথায় এসি ল্যান্ড মারুফা সুলতানার উপস্থিতিতে দুজনকে মারধরের অভিযোগে এলাকার মানুষ ইউএনও ও এসি ল্যান্ড অফিসে হামলা করেছে বলে জানা গেছে। এর বাইরে নির্দেশনা ভঙ্গ করে বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরে দোকানপাট খুলে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে।

খুলনা ও বরিশালের একাধিক উপজেলার ইউএনওর সঙ্গে কথা বললে একজন জানান, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক মনে করছেন তিনি। তাই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষেত্রে খুবই সাবধানতা অবলম্বন করছেন। আরেকজন বলেন, রাজনৈতিক নেতারা এগিয়ে না এলে মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে বাধ্য করা যাবে না। শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘সরকার মানুষের উপকারের জন্যই সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন পরিস্থিতিতে আরো কী করা যায়, আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। সাধারণ মানুষকে আস্থায় নিয়েই কাজ চলছে। কিন্তু কেউ যদি পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অবস্থা ঘোলাটে করতে চায়, সে ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে না।’ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাঠ প্রশাসন) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া আছে। সংশ্লিষ্টরা নির্দেশনা না মানলে কী করতে হবে, তাও তাঁরা জানেন। এর পরও সমস্যার কথা জানতে পারলে পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোনো কোনো সরকারি কারখানায় জনবল কিছুটা কমানো কমালেও বেসরকারি খাতের প্রায় সব কারখানায় সবাই উপস্থিত থাকছেন। তবে বেশির ভাগ কারখানা শ্রমিকদের আনা-নেওয়ার জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা করেনি। এতে শ্রমিকদের করোনা ঝুঁকি বেড়েছে।

শিল্পসচিব কে এম আলী আজম বলেন, ‘সরকারি কারখানায় টেকনিক্যাল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবাইকে উপস্থিত থাকতে বলা হলেও নন-টেকনিক্যালদের সংখ্যা প্রতি তিনজনের জায়গায় দুজন করেছি। কর্মরতদের অনেকে আগে থেকে আমাদের নিজস্ব পরিবহনে আসত। তবে বেশির ভাগ কর্মরতরা আমাদের কারখানাগুলোর আশপাশে থাকে। তাই নতুন করে পরিবহনব্যবস্থার কোনো প্রয়োজন হয়নি।’

বাংলাদেশ রপ্তানিকারক সমিতির সহসভাপতি মো. হাতিম বলেন, ‘হঠাৎ বিধি-নিষেধের কারণে অনেক কারখানা বাড়তি পরিবহনের ব্যবস্থা করতে পারেনি। এ জন্য দূরে থাকা শ্রমিকদের অনেকে বিপদে পড়েছে। তবে আমরা যারা স্থানীয় শ্রমিক নিয়ে কাজ করি, তারা আগের নিয়মেই শ্রমিকদের আসতে বলেছি। বাড়তি ব্যবস্থা করার প্রয়োজন হয়নি। এ ছাড়া রাতারাতি তো আর দূর থেকে আসা শ্রমিকদের আবাসন ব্যবস্থা করা যায় না। লকডাউন বাড়লে সব ব্যবস্থা করা হবে।’ 

দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি মো. মুনতাকিম আশরাফ বলেন, ‘আমরা সংগঠন থেকে খোঁজখবর রাখছি, সবাইকে নিজস্ব পরিবহনে শ্রমিক আনা-নেওয়ায় উৎসাহিত করা হচ্ছে।’