Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Bangadesh Manobadhikar Foundation

বিডিনিউজডেস্ক.কম   
তারিখঃ ০৬.০৬.২০১৫  

ঘুম প্রত্যেকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীর সুস্থ ও সতেজ রাখার জন্য ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। ডাক্তাররা বলেন, সবার প্রতিদিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত।

আর তাই ঘুমের জন্য কতনা আপ্রাণ চেষ্টা। তবে যারা সাধারণত ওষুধ খেয়ে ঘুমাতে যান তাদের জন্য একটা চরম দুঃসংবাদ আছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের বড়ির কারণে অকাল মুত্যুর ঝুঁকি স্বাভাবিকের চেয়ে চারগুন বেশি। ফলে অতিমাত্রায় ঘুমের বড়ি খেলে ঘটতে পারে অকাল মুত্যু। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লা জোল্লা এলাকায় স্ক্রাইপস ক্লিনিক ভিটারবি ফ্যামিলি স্লিপ সেন্টারের ড্যানিয়েল ক্রিপকির নেতৃত্বে একদল চিকিৎসকের গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সোমবার বিএমজি ওপেন জার্নালে গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় আরো দেখা যায়, যারা অতিমাত্রায় ঘুমের বড়ি খান তাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি যারা খান না তাদের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। এর কারণ স্পষ্ট নয়। গবেষণার জন্য চিকিৎসকরা দুটি দল বাছাই করেন। একটি দলে পেনসিলভানিয়ায় বসবাসরত সাড়ে দশ হাজারেরও বেশি লোক ছিল। এদের সবাই পূর্ণ বয়স্ক এবং তারা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ঘুমের বড়ি সেবন করতেন। গবেষকরা এসব ব্যক্তির মেডিক্যাল রিপোর্ট পর্যালোচনা করেন। আরেক দলে ছিলেন যারা ঘুমের বড়ি খান না। এদের সংখ্যাও ছিল ২৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি। তাদের মধ্যে বয়স, পরিপ্রেক্ষিত ও স্বাস্থ্যগত ভিন্নতা ছিল। দুটি নমুনার ওপর আড়াই বছর ধরে গবেষণা চালানো হয়। চিকিৎসকরা সাধারণত যেসব ঘুমের বড়ি খাওয়ার ব্যাপক পরামর্শ দেন তা পর্যালোচনা করা হয়। দেখা যায়, এ সময়ে উভয় গ্রুপে সার্বিক মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কম। তবে প্রাণহানির কারণের ক্ষেত্রে ব্যাপক পার্থক্য ধরা পড়েছে। গবেষকরা দেখতে পান, যারা প্রতি বছর ১৮ থেকে ১৩২ ডোজ নেন তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ন্ত্রিত গ্রুপের তুলনায় ৪ দশমিক ৬ গুণ বেশি। এমনকি যারা বছরে ১৮ ডোজের কম নেন তাদের মৃত্যুর ঝুঁকিও ৩ দশমিক ৫ গুণ বেশি। গবেষণায় দেখা যায়, ২০১০ সালে কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা তিন লাখ ২০ হাজার থেকে বেড়ে পাঁচ লাখ সাত হাজার হয়েছে। আর এই অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনার সঙ্গে ঘুমের ওষুধের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের মৃত্যুর বিস্তারিত কারণ প্রকাশ করা হয়নি। এ ব্যাপারে গবেষকরা বলেছেন, কারণ বিশ্লেষণ করে নয়, পরিসংখ্যান ঘেঁটে এ তথ্য তারা খুঁজে পেয়েছেন।