মুদ্রণ

বিডিনিউজডেস্ক.কম
তারিখঃ ১৩.০৭.২০১৫

ক্যানসার বিশৃঙ্খল ও অনিয়মিত কোষ বিভাজনঘটিত এক মারাত্মক রোগ।

উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশসহ পৃথিবীর সর্বত্র এ রোগ বিস্তৃত।ক্যান্সার হওয়ার পিছনে অনেক কারণ থাকে যেমন মদ্যপান করা, ধূমপান করা, ওজন নিয়ন্ত্রনে না রাখা, শারীরিক ভাবে এক্টিভ না থাকা, পরিবেশ দূষণ, শারীরিক সমস্যায় সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করা ইত্যাদি।তবে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে , সব ধরনের ক্যানসারের সঙ্গেই খাদ্যের একটা যোগ রয়েছে।সাম্প্রতিক কালে ১৭টি দেশের ১৭০টি গবেষণায় দেখা যায়, খাদ্য তালিকা একটু পাল্টে নিলেই ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায় অনেকটাই।আসুন, জেনে নেই ক্যান্সার প্রতিরোধী সেই খাদ্য তালিকা সম্পর্কে।

সবুজ শাকসবজিঃ
গাঢ় সবুজ শাকসবজিতে ক্যানসাররোধী বিটাক্যারোটিন, ফোলেট ও লিউটেইন থাকে।যে শাকসবজি যত সবুজ, তাতে তত বেশি উপাদান রয়েছে।
বাঁধাকপি, ফুলকপি, শালগমঃ
অল্প সেদ্ধ করলে সবজির উপাদান ঠিক থাকে, যা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এই সবজি নিয়মিত গ্রহণে খাদ্যনালির ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ৭০ শতাংশ কমে।
সয়াবিনঃ
সয়াবিনে ক্যানসাররোধী অন্তত পাঁচটি উপাদান রয়েছে। এসবের মধ্যে একটি উপাদানের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য স্তন ক্যানসারে ব্যবহূত ওষুধ টেমোক্সিফেনের মতো।
রসুন ও পেঁয়াজঃ
রসুন-পেঁয়াজজাতীয় সবজিতে রয়েছে খাদ্যনালি, পাকস্থলী, ফুসফুস ও যকৃতের ক্যানসাররোধী কয়েকটি উপাদান, যা রসুনের নির্যাস স্তন ক্যানসারের ঝুঁকির প্রায় ৭১ শতাংশ কমিয়ে দেয়।
ভিটামিন ‘সি’সমৃদ্ধ ফলঃ
যারা প্রতিদিন কিছু না কিছু ভিটামিন ‘সি’সমৃদ্ধ ফল খায়, তাদের অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় অর্ধেক বা দুই-তৃতীয়াংশ কমে যায়।
স্বল্প চর্বিসম্পন্ন দুধঃ
স্বল্প চর্বিসম্পন্ন দুধে রয়েছে ক্যালসিয়াম, রিবোফ্ল্যাবিন, ভিটামিন এ, সি, ডি প্রভৃতি উপাদান, যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করে।
টমেটো, তরমুজঃ
টমেটো ও তরমুজে রয়েছে লাইকোপেন, যার পরিমাণ রক্তে কম হলে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় পাঁচ গুণ বেড়ে যায়।

এছাড়াও গাজর, হলুদ ও কমলা রঙের সবজি এসবে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধী বিটাক্যারোটিন, যা ক্যানসার কোষের ওপর চড়াও হয়।