মুদ্রণ

বিএনপি নেত্রী নৈরাজ্য সৃষ্টির পায়তারা করছেন

বিডিনিউজিডেস্ক.কম

তারিখঃ ২৩.০৪.২০১৫

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া নৈরাজ্য সৃষ্টির পায়তারা করছেন। বেগম জিয়া সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে সামনে রেখে তার খোলস, বেশ-ভূষা, ঘোমটা পরার স্টাইল, ভোল পাল্টে নিজেকে আবার রাজনীতিতে হালাল করার দুরভিসন্ধি করেছেন। এ বিষয়ে দেশবাসীকে সর্তক থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি সরকার উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ডের নানা সাফল্য তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়া তিনটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে উনার শেষ রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ খুঁজছেন খালেদা। সাপের মত খোলস পাল্টে রং পাল্টিয়ে জনগণের মধ্যে আসার কৌশল নিয়েছেন। তবে উনার বিষ দাঁত রয়েই গেছে। উনি শক্তি সঞ্চয় করছেন। দম ফেলার সুযোগ নিচ্ছেন। সুযোগ পেলেই আবার ছোবল মারবেন।

ইনু বলেন, বর্তমান সরকার উন্নয়নে বিপ্লব সাধন করেছে। যা খালেদা জিয়ার আমলে ছিল না। বিদ্যুৎ খাত থেকে শুরু করে কৃষি, বিদেশে শ্রমিক প্রেরণ, রেমিটেন্স, গার্মেন্টেস খাতসহ সকল সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা ও ধারাবাহিক অবরোধ-হরতাল, নাশকতা, অন্তর্ঘাতের মধ্যেও অর্থনীতির যাদুকরী বেগম খালেদা জিয়া না দেখলেও বিশ্ব দেখেছে।

তিনি বলেন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, চাল, আটাসহ নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ রেখে মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য কি সরকার ধন্যবাদ পাবে না?

তিনি আরো বলেন, ২০০৯ সালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ছিল ২৭টি। এখন হয়েছে ৯২টি। তখন উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৪ হাজার ৯৮২ মেগাওয়াট, আর এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ২৬৫ মেগাওয়াট।

মন্ত্রী আরো বলেন, গত পাঁচ বছরে ২৫টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছে। গ্যাসের দৈনিক উৎপাদন ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩০৩ মিলিয়ন ঘনফুটে। এছাড়া পুষ্টি ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ফলে দেশের মানুষের গড় আয়ু ২০০৫ সালে ছিল ৬৫ বছর। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯ বছর। নারীদের গড় আয়ু ৬৫.৮ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০.৩ বছর। আর পুরুষের গড় আয়ু ৬৫.২ বছর থেকে উন্নতি হয়েছে ৬৭.৯ বছর।

হাসানুল হক ইনু বলেন, দেশে একটিও সৌর সেচপাম্প ছিল না। এখন ১৯৩টি সৌর সেচপাম্প আমাদের বিদ্যুৎ বাঁচাচ্ছে। আর ৪৭ শতাংশ থেকে ৬৮ শতাংশ মানুষকে বিদ্যুতের আওতায় এনেছে এই বর্তমান সরকার।