মুদ্রণ

নির্বাচন কমিশন অপদার্থ ও অযোগ্য

বিডিনিউজিডেস্ক.কম

তারিখঃ ১৬.০৫.২০১৫

আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের আহবায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেছেন, নির্বাচন কমিশন অপদার্থ ও অযোগ্য।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সিটি নির্বাচন ও বাংলাদেশের গণতন্ত্র শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এমাজউদ্দীন বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এদের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এমনটা আশা করা যায় না। এরা অপদার্থ ও অযোগ্য।

তিনি বলেন, সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনকে দুইটি বিষয়ে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছিলাম। যার একটি হচ্ছে ভোটাররা যাতে করে নিরাপদে ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যেতে পারে। অপরটি হচ্ছে প্রার্থীরা যাতে করে নির্বাচনী প্রচারণায় সমান সুযোগ পায়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন একটি অনুরোধও রাখেনি।

তিনি বলেন, স্পষ্ট করে বলছি নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কৃতকর্মের রেকর্ড আছে তা যথাসময়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌছে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, সিটি নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় না। অথচ সরকার ফলাফল নিজ দল সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে নিতে নগ্ন হস্তক্ষেপ করেছে। যা তারা না করলেও পারতো।

এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, ২৮ এপ্রিলের সিটি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা না করাই ভাল। কারণ আমার জীবনে এ রকম নির্বাচন আর দেখি নাই। সিটি নির্বাচন স্থানীয় নির্বাচন। এ নির্বাচনে সরকারের ক্ষমতা বা সরকার পরিবর্তন হতো না। কিন্তু তারা নির্বাচনে কারচুপি করেছে। এটি করা তাদের অভ্যাস হয়ে গেছে।

প্রাক্তন এই উপাচার্য বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করার কোনো পরিকল্পনা সরকার ও ইসির ছিল না। তাই তারা সেনাবাহিনী মোতায়েন করেনি। তারা জানত, সেনাবাহিনী মোতায়েন করলে কারচুপি করে জয়ী হওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় কোনো নিয়মের তোয়াক্কা ছিল না। নির্বাচনের আগে বিরোধী দলের প্রার্থীদের গ্রেফতার ও মামলা দিয়ে প্রচারণা করতে দেওয়া হয়নি। প্রার্থীদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং কারচুপি করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে সরকার। আমাদের কাছে সব রেকর্ড আছে। প্রয়োজনে আন্তর্র্জাতিক পর্যায়ে বিষয়টি প্রকাশ করা হবে।

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুলের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, বিএনপির সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, অল কমিউনিটি ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো. কাবিরুল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।