Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Bangadesh Manobadhikar Foundation

সালাহউদ্দিনকে সিঙ্গাপুর নিতে চান স্ত্রী হাসিনা

বিডিনিউজডেস্ক.কম

তারিখঃ ১৯.০৫.২০১৫

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমদকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের শিলং থেকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যেতে চান তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ।

মঙ্গলবার দুপুরে ভারতের শিলংয়ে সিভিল হাসপাতালে বিচারাধীন মামলার আসামিদের ওয়ার্ডে স্বামীর সঙ্গে কথা বলার পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

সালাহ উদ্দিনের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে হাসিনা বলেন, ওনার শরীর খুবই খারাপ। একটানা দুই মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে পারছেন না। হাত-পা কাঁপতে থাকে। খুব দ্রুত তার উন্নত চিকিৎসা দরকার।

তিনি বলেন, সালাহ উদ্দিনের হৃদরোগের সমস্যা আছে। কিডনির সমস্যাও জটিল আকার ধারণ করেছে।

ভারতের চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত থাকার পরেও সালাহ উদ্দিন আহমেদকে কেন সিঙ্গাপুরে নিতে চাচ্ছেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে হাসিনা আহমেদ জানান, গত ২০ বছর তার সব চিকিৎসা সিঙ্গাপুরে হয়েছে। হৃদরোগের জন্য তার তিনবার অস্ত্রোপচার হয়েছে; তাকে রিং পরানো হয়েছে। তার কিডনির চিকিৎসাও সিঙ্গাপুরেই হচ্ছে। তাই সেখানেই স্বামীকে নিয়ে যেতে চান।

রোববার ভিসা পাওয়ার পরই রাতে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন সালাহ উদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ। পুলিশের অনুমতি নিয়ে সোমবার ভারতীয় সময় রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে স্বামীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি। বিসিসি বাংলা জানায়, এ সময় হাসিনা আহমেদের সঙ্গে বিএনপির কয়েকজন নেতাও ছিলেন। তারা প্রায় ৪০ মিনিট কথা বলেছেন।

সাক্ষাৎ শেষে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের হাসিনা আহমেদ বলেন, আমার স্বামী অসুস্থ। আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভালো চিকিৎসার জন্য তাকে তৃতীয় কোনো দেশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।

দুপুরে কলকাতার দমদম এয়ারপোর্ট থেকে হাসিনা আহমেদ আসামের গুয়াহাটি রওনা দেন। হাসিনা আহমেদ ও তার বোনজামাই মাহবুব কবির গুয়াহাটি নেমে ট্যাক্সি করে শিলং পৌঁছান ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে। এরপর তিনি ইস্ট খাসি হিল জেলার পুলিশ সুপার এম খারক্রাংয়ের কার্যালয়ে গিয়ে সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার অনুমতি নেন। বিসিসির সংবাদে বলা হয়, সালাহ উদ্দিনকে কীভাবে মুক্ত করা যায় সেই বিষয়ে তিনি স্থানীয় জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

স্বামীর দেখাশোনা এবং চিকিৎসার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে হাসিনা আহমেদ এ ব্যাপারে বলেন, তারা (আইনজীবীরা) একটি পরিবারকে আদালতে উপদেশ দিয়ে সাহায্য করার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত করেননি।