Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Bangadesh Manobadhikar Foundation

বিডিনিউজডেস্ক.কম| তারিখঃ ১৮.০৭.২০১৯

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লুচিপ সূচক ডিএসই-৩০ থেকে বাদ পড়েছে পাঁচ কোম্পানি।

ব্লুচিপ সূচকে থাকার শর্ত পরিপালনে ব্যর্থ এ পাঁচ কোম্পানি হলো পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেড, আরএকে সিরামিকস (বিডি) লিমিটেড এবং এসিআই লিমিটেড। অন্যদিকে পাঁচ কোম্পানি এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ডিএসই।

জানা যায়, ডিএসই প্রতি প্রান্তিকে ডিএসই-৩০ সূচক সমন্বয় করে। এসঅ্যান্ডপি ডাও জোনসের ডিজাইন করা সূচক গণনা পদ্ধতি অনুসারে বার্ষিক ভিত্তিতে ব্রড ইনডেক্স এবং অর্ধবার্ষিক ভিত্তিতে ব্লুচিপ সূচক পুনর্বিন্যাস করেছে তাদের কমিটি। এছাড়া শর্ত পরিপালন করতে না পারায় নতুন কোনো আইপিও কোম্পানি প্রধান সূচক ডিএসইএক্সে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ২১ জুলাই থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

ব্লুচিপ সূচকে জায়গা পাওয়া কোম্পানিগুলো হলো ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালস লিমিটেড ও বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড।

এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচকে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, বিবিএস কেবলস, বেক্সিমকো, ব্র্যাক ব্যাংক, বিএসআরএম লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা, সিটি ব্যাংক, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন ব্যাংক, গ্রামীণফোন, আইডিএলসি, ইফাদ অটোস, লংকাবাংলা ফিন্যান্স, লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড, এমজেএল বিডি, ন্যাশনাল ব্যাংক, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, রেনাটা, সিঙ্গার বিডি, স্কয়ার ফার্মা, সামিট পাওয়ার, তিতাস গ্যাস, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এবং ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড।

ডিএসই-৩০ সূচকের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিএসইর মোট বাজার মূলধনের ৫১ শতাংশ ইকুইটি সম্মিলিতভাবে ডিএসই-৩০-এর কোম্পানিগুলোর হতে হবে। প্রতিটি কোম্পানির বাজার মূলধন ৫০ কোটি টাকার বেশি হতে হবে। প্রতি প্রান্তিকে প্রতিটি কোম্পানির দৈনিক গড় লেনদেন হতে হবে ৫০ লাখ টাকা। তবে অন্য শর্তগুলো পূরণসাপেক্ষে কোম্পানির গড় লেনদেন ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করা যাবে। ব্লুচিপ সূচকে স্থান পেতে হলে প্রতিটি কোম্পানিকে মুনাফায় থাকতে হবে। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা, আবাসন, ওষুধ এবং জ্বানানি ও বিদ্যুৎ এ খাতগুলো থেকে পাঁচটি করে কোম্পানি এবং সম্মিলিতভাবে ২০টি কোম্পানি ডিএসই-৩০ সূচকে স্থান পাবে।

ডিএসই-৩০ সূচক থেকে বাদ পড়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে এসিআই লিমিটেডের ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) শেয়ারপ্রতি লোকসান ৫ টাকা ৮১ পয়সা। তাই কোম্পানির এ তালিকা থেকে কোম্পানিটি বাদ পড়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১১৫ শতাংশ নগদ ও ৩ দশমিক ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে এসিআই লিমিটেড। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১০ টাকা ৭৩ পয়সা।

অন্যদের মধ্যে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোক্তা ও পরিচালক সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে পারেনি। তারা সম্মিলিতভাবে ২৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার ধারণ করছে। এছাড়া গত প্রান্তিকে তাদের শেয়ারের গড় লেনদেন ৫০ লাখ টাকার নিচে নেমেছে। আর গড় লেনদেন কমার কারণে পদ্মা অয়েল, বিএসআরএম স্টিল এবং আরএকে সিরামিকস ডিএসই-৩০ সূচক থেকে বাদ পড়েছে।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, বাজেট ঘোষণার পর থেকে ডিএসই-৩০ সূচক ৮৮ পয়েন্ট হারিয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার দিন অর্থাৎ ১৩ জুন ডিএসই-৩০ সূচক ছিল ১ হাজার ৯১৮ পয়েন্ট। গতকাল লেনদেন শেষে এ সূচক ১ হাজার ৮৩০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর এ সময় ডিএসইর মূল সূচক ডিএসইএক্স ৩৪১ পয়েন্ট কমেছে। বাজেট ঘোষণার দিন ডিএসইএক্স ছিল ৫ হাজার ৪৭৪ পয়েন্টে। গতকাল লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক অবস্থান করছে ৫ হাজার ১৩৩ পয়েন্টে।